রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়ির সামনে বিজেপি প্রার্থী পাপিয়াকে ঘিরে বিক্ষোভ

Spread the love

রবিবারের ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ নামে একটি ধারাবাহিকের শ্যুট করতে গিয়ে, জলে ডুবে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। রাহুল বামপন্থী ছিলেন। কিন্তু তাঁর মৃত্যুতে কেবল বামেরাই নয়। অন্যান্য নানা দলের কর্মী-সমর্থকরা শোক প্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও রাহুলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন। রাহুলের বাড়িতে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকেও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এবার বিজেপি প্রার্থী অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী প্রয়াত অভিনেতার বাড়িতে পৌঁছলে শুরু হয় ধুন্ধুমার কান্ড।

ঠিক কী ঘটে?

রাহুলের বিজয়গড়ের বাড়িতে গত কাল থেকে জমে ছিল ভিড়। ঘটনার কথা শুনেই তাঁর মায়ের সঙ্গে দেখা করতে ইন্ডাস্ট্রির বহু তারকা আসেন। সোহিনী সরকার, শোভন গঙ্গোপাধ্যায়, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, দেবলীনা দত্ত, সৌরভ দাস, দর্শনা বণিক, বিক্রম চট্টোপাধ্যায় -সহ আরও অনেকে এসেছিলেন। পাশাপাশি তৃণমূলের নেতা অরূপ বিশ্বাসেরও দেখা মিলেছিল।

কিন্তু বিজয়গড়ের বাড়ির সামনে পৌঁছোতেই বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীকে ঘিরে ধরেন স্থানীয়েরা। সকালে প্রচারে বেরিয়ে ছিলেন টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া। তারপর বিজয়গড় রোডের অনন্যা অ্যাপার্টমেন্টের সামনে যান তিনি। বিজেপি কর্মীরা তাঁকে নিয়ে সেখানে আসতেই উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়।

স্থানীয়রা দাবি করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা নাকি রাহুলের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন। আর তার জেরেই এলাকার লোকজনের সঙ্গে বিজেপি সমর্থকদের ঝামেলা শুরু হয়ে যায়। স্থানীয়রা অনেকেই বলেন, এটা স্লোগান দেওয়ার জায়গা নয়। এই শোকের অবস্থা রাজনৈতিক প্রচারের জন্যেও নয়।

জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল থেকে শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন ‘ভোলে বাবা পার করেগা’-র টিম। শ্যুটিং করতে গিয়েছিলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আর সেখানেই ঘটে অঘটন। সেখানেই সমুদ্রে ডুবে যান নায়ক। জল থেকে তাঁকে উদ্ধার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। তারপর নায়কের ময়নাতদন্ত করা হয়।

তমলুক হাসপাতাল সূত্রে খবর, ময়নাদতন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুসারে বালি ঢুকেছিল রাহুলের ফুসফুসে। ফুলে দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল ফুসফুসের আকার। ১ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জলের তলায় ছিলেন অভিনেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *