১৫ বছর আগে অর্থাৎ ২০১০ সালে ‘অটোগ্রাফ’ ছবির হাত ধরে বাংলা দর্শকরা পেয়েছিল একেবারে অন্য ঘরানার একটি ছবিকে। পরিচয় হয়েছিল নতুন এক পরিচালকের সঙ্গে যিনি চেনা গল্পকেও অন্যভাবে তুলে ধরতে জানেন।
২০১০ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত সেই ছবির নাম ‘অটোগ্রাফ’, যে সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু কেমন ছিল সেই প্রথম দিনের আলাপ? সেদিনের সেই ঘটনা গল্পের আকারে শোনালেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়।’
সম্প্রতি যিশু সেনগুপ্তের পরিচালনায় ‘অভিমান’ ছবির শুভ মহরত সম্পন্ন হয়। ওই একই দিনে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে একটি সেলফি তুলে সেটি সমাজ মাধ্যমের পোস্ট করেন সৃজিত। গল্পের আকারে বর্ণনা করেন অটোগ্রাফ ছবির জন্ম লগ্নের কাহিনি।
সৃজিত লেখেন, ‘এনটি ওয়ান স্টুডিও ঠিক এই জায়গায় একজন ইকোনোমেট্রিশিয়ান, যে পরিচালক হতে এসেছিল সেই মানুষটি দু’ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করেছিল একজন সুপারস্টারকে স্ক্রিপ শোনাবে বলে। সুপারস্টার তাঁর সেদিনের শ্যুট শেষ করেন। সেই অফবিট ছবির নাম ছিল হাউসফুল।’
সৃজিত আরও লেখেন, ‘উনি শ্যুটিং সেরে বেরিয়ে নিজের গাড়িতে ওঠেন। নিজেই গাড়ি চালিয়ে তাঁর বালিগঞ্জের বাড়িতে আসেন। গোটা স্ক্রিপ্ট শোনেন, সেই সময় যার নাম ছিল সই। পরে জন্ম হয় অটোগ্রাফের।’

প্রসঙ্গত, এই সিনেমার হাত ধরে শুধুমাত্র দর্শকরা একটা ভালো ছবি উপহার পেয়েছিলেন তা নয়। পেয়েছিলেন না ভোলার মতো একগুচ্ছ গান। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ছাড়া এই সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন নন্দনা সেন, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, ধ্রুব মুখার্জি, দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে।
এই সিনেমাটি পরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালিত এবং উত্তম কুমার অভিনীত ‘নায়ক’ ছবির অনুকরণে তৈরি করা হয়েছিল। এই ছবির মাধ্যমে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আবার যেন নিজেকে মেলে ধরেছিলেন একেবারে অন্যরকম ভাবে।