এক সুখী দম্পতি, হঠাৎ মেয়েটির স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া, একদিন তাঁর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এবং শেষে একজন সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে গান গেয়ে তাঁকে খুঁজে বের করা— এই প্রতিটি পয়েন্ট কি ‘সাইয়ারা’-র কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে? অভিনেতা অমিত যাদবের দাবি, এটি আসলে তাঁর ২০১৯ সালের শর্ট ফিল্ম ‘খয়াবোঁ’-র গল্প।YRF-এর সাথে যোগাযোগ: অমিত জানান, ২০২২ সালে যশ রাজ ফিল্মস (YRF) ট্যালেন্ট থেকে তাঁর কাছে একটি মেসেজ এসেছিল। কিন্তু কোন প্রজেক্টের জন্য তাঁরা যোগাযোগ করছেন, তা জানানো হয়নি। অমিতের প্রশ্ন, কোনও অডিশন না দেওয়া সত্ত্বেও কেন তারা যোগাযোগ করেছিল?
কোরিয়ান ছবি না কি নিজস্ব সৃষ্টি? শোনা গিয়েছিল ‘সাইয়ারা’ ২০০৪ সালের কোরিয়ান ছবি ‘এ মোমেন্ট টু রিমেম্বার’-এর রিমেক। কিন্তু অমিতের পাল্টা যুক্তি, কোরিয়ান ছবিতে নায়ক একজন কাঠমিস্ত্রি, যেখানে তাঁর শর্ট ফিল্ম এবং ‘সাইয়ারা’— দুটিতেই নায়ক একজন সঙ্গীতশিল্পী। এই মিল স্পষ্ট।
অবসাদ ও লড়াইয়ের কাহিনী:
অমিত অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে জানান যে, এই চুরির ঘটনায় তিনি গভীর হতাশায় ডুবে গিয়েছিলেন। তাঁর স্বপ্নের কাজ এভাবে হাতছাড়া হতে দেখে তিনি একবার আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছিলেন, কিন্তু তাঁর বাবা-মায়ের তৎপরতায় বেঁচে যান।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়া: ২০২৫ সালে তিনি এই শর্ট ফিল্মটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিচার ফিল্ম হিসেবে বানানোর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন, প্রযোজকও পেয়েছিলেন। কিন্তু ‘সাইয়ারা’ মুক্তি পাওয়ায় তাঁর সব পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে।
এখন কী চান অমিত?
অমিত জানান, তিনি চিত্রনাট্যকার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হলেও শর্ট ফিল্মটি ইউটিউবে থাকায় আলাদা করে রেজিস্ট্রেশন করেননি। এখন তিনি YRF-এর কাছে আইনি লড়াইয়ের চেয়ে কেবল ‘ক্রেডিট’ বা স্বীকৃতি চাইছেন। তাঁর আবেদন, বড় প্রজেক্টে তাঁকে অন্তত কোনও চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হোক।