শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় বর্তমানে বাংলা বিনোদন জগতের অন্যতম চর্চিত অভিনেত্রী। তিনি যেমন একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন। তেমনই মাঝে মধ্যেই নায়িকাকে নানা বিতর্কেও জড়িয়ে পড়তে দেখা গিয়েছে। তিনি সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও নায়িকার স্বামী পরিচালক রাজ চক্রবর্তী বঙ্গ-রাজনীতি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তিনি তৃণমূলের বিধায়কও বটে।
কিছুদিন আগেই রাজের পরিচালনায় রাজ্য সরকার প্রযোজিত একটি ছবি ‘লক্ষ্মী এল ঘর’তে নায়িকাকে দেখা গিয়েছে। শুভশ্রী যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়ের খুবই স্নেহের পাত্রী তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই সব মিলিয়ে ২০২৬-এর নির্বাচনে অনেকেই অনুমান করছেন যে নায়িকা সম্ভাব্য প্রার্থী। কিন্তু এটা আদৌ কি সত্যি? রাজনীতির মঞ্চে বরের অনুগামী কি হতে চান নায়িকা? এবার তা নিয়েই মুখ খুললেন রাজ।
দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাজ এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘শুভশ্রী যদি ভোটে দাঁড়াতে চাইত, তাহলে আরও অনেক আগেই ভোটে দাঁড়াত। আমাদের পরিবার থেকে এই মুহূর্তে আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত রয়েছি। আমাদের বিনোদন বাণিজ্য নিয়ে কাজ। তাই এই মুহূর্তে আমাদের পরিবার থেকে দুটো মানুষ একসঙ্গে রাজনীতিতে আসলে সমস্যা হয়ে যাবে।’
রাজ আরও বলেন, ‘শুভশ্রী হয়তো দিদিকে খুব ভালোবাসেন। কিন্তু আমার কোনও ভাবেই মনে হয় না ও রাজনীতিতে যোগ দেবে। কারণ আগামী এক বছরের জন্য ও বিনোদন জগতে কী কী কাজ করতে চলেছে তা ঠিক করা রয়েছে। এই মুহূর্তে ওঁর কাছে কাজটাই আসল। দিদি বলেছেন বলে ও ‘লক্ষ্মী এল ঘরে’ করেছে। কিন্তু আমার মনে হয় না ও রাজনীতিতে আসবে। শুভশ্রী রাজনীতিতে আসবে না। আমাদের বাড়িতে দুটো বাচ্চা আছে। আর রাজনীতিতে এখন অনেক ঝুঁকি রয়েছে। রাজনীতি জীবনটাকে ঘেঁটে দেয় অনেক বেশি। এখনকার রাজনীতি আর আগেকার রাজনীতির মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।’

কাজের সূত্রে, বড়দিনের আবহে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় মুক্তি পেয়েছিল শুভশ্রীর ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে…’। অন্যদিকে, ২৩ জানুয়ারি রাজ চক্রবর্তীর নতুন ছবি ‘হোক কলরব’ মুক্তি পেয়েছে সরস্বতী পুজোর আবহে।