এবার বিতর্কে মুখ খুললেন পর্দার মেয়ে ‘পিকো’ আয়ুশ্রী

Spread the love

টলিপাড়ার অন্দরের ফিসফাস বিয়ে ভাঙতে চলেছে নীল ভট্টাচার্য ও তৃণা সাহার। বিগত কয়েকমাস ধরেই দাম্পত্যে ভাঙনের খবর বারবার উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনকী, দেখা যায় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে একে-অপরকে আনফলো করেছেন তাঁরা। এরপর হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার তরফে যোগাযোগ করা হলে, নীল জানিয়েছিলেন, ‘এই ব্য়াপারে এখনআমি কোনও মন্তব্য করতে চাই না’। সঙ্গে স্পষ্ট করে দেন যে, ব্য়ক্তিগত জীবন নিয়ে এখন কথা বলতে চান না। তিনি খানিকটা সময় চান। তৃণার সঙ্গে অবশ্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে রবিবার রাতে সকলকে খানিক অবাক করে কলকাতার এক মিডিয়ার দ্বারা আয়োজিত অ্যাওয়ার্ড শো-তে দুজনে এলেন একসঙ্গে। আর তারপর সেই রাতেই অ্যাওয়ার্ড জেতার পর পর্দার মা তৃণার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ওঠা বিতর্কের জবাব এল ‘পিকো’ আয়ুশ্রীর মুখে।

পরশুরাম ধারাবাহিকে শিশুশিল্পী আয়ুশ্রী মুখোপাধ্যায়কে দেখা যাচ্ছে তৃণা অর্থাৎ তটিনীর মেয়ের চরিত্রে। নীল-তৃণার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন আয়ুশ্রী। যেখানে দেখা যায় তিনজনের হাতেই অ্যাওয়ার্ড। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখা, ‘অনেক নেগেটিভ সোশ্যাল পোস্ট দেখার পর আমার পোস্ট। আমার রিয়েল মাম্মি, ওঁর রিয়েল হাজবেন্ডের সঙ্গে। দয়া করে বাজে খবর ছড়াবেন না। যদি পারেন ইতিবাচক কথা বলুন। গুড ভাইরাল নিউজ নিয়ে কাজ করুন। টিআরপি বাড়ানোর গুজবে কান দেবেন না।’ নিজের এই পোস্টে নীল আর তৃণা, দুজনকেই ট্যাগ করেছেন আয়ুশ্রী। শুধু তাই নয়, পর্দার মেয়ের পোস্টে লাইকও করেছেন পরশুরামের ‘তটিনী’!

নীল-তৃণা জুটিকে ভালোবেসে ‘তৃনীল’ বলে ডাকে ফ্যানেরা। চলতি বছরের গোড়া থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। শোনা যেতে থাকে, দুজনে নাকি চুক্তির বিয়ে করেছিলেন।। তখন দুজনেই সেই খবর উড়িয়ে দেন, জানান ভুয়ো। এর আগেও একাধিকবার দুজনের দাম্পত্য জায়গা করে নিয়েছে শিরোনামে। সেই বিয়ের মাসছয় পর থেকেই বারংবার আসছে ডিভোর্সের খবর। চলতি বছরের মাঝামাঝি সময়টা নীল কাটিয়েছেন মুম্বইতে। তবে কলকাতায় বেশ ধুমধাম করে বরের জন্মদিন পালন করেছিলেন তৃণা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আদুরে পোস্টও করেছিলেন। ওই শেষ, তারপর থেকে আর একসঙ্গে কোনো ছবি দেননি। ২০২১ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন তাঁরা। সামনেই পঞ্চম বিবাহবর্ষিকী। সত্যিই কি যা শোনা যাচ্ছে, সবটাই রটনা? অন্তত ‘তৃনীল’ ভক্তরা তো মনেপ্রাণে তাই চাইছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *