‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে স্বস্তি দিল না দিল্লি হাইকোর্ট

Spread the love

Cockroach Janata Party: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র অফিসিয়াল ‘এক্স’ অ্যাকাউন্ট ব্লক করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার এই মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার এবং সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-কে নোটিশ জারি করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ‘এক্স’ হ্যান্ডেলটি অনলাইনে ব্যাপকভাবে ভাইরাল হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম কর্তৃপক্ষ সেটি ব্লক বা স্থগিত করে। এরপরেই তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। মামলার শুনানি চলাকালীন দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি পুরুষৈন্দ্র কুমার কৌরব ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা দীপকে-কে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের পুনর্বিবেচনা কমিটির সামনে ভার্চুয়ালি হাজির হয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করার অনুমতি দেন। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেন, কমিটি যদি অ্যাকাউন্টটি ব্লক করার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বা বেআইনি মনে করে, তবে তাদের সেই ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টটি পুনরায় সচল করার আদেশ দেওয়ার আইনি ক্ষমতা রয়েছে। ওই দলের এক্স হ্যান্ডেলটি ব্লক করার বিরুদ্ধে দীপকের এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার এবং ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এর কাছে জবাব চেয়ে নোটিশ জারি করেছে। আদালত আগামী ৭ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছে।

এদিন শুনানি চলাকালীন আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, ‘পরবর্তী শুনানির তারিখের আগেই পুনর্বিবেচনা কমিটিকে এই সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে হবে এবং তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি নথিবদ্ধ করতে হবে।’ এদিকে, দীপকের পক্ষে আদালতে সওয়াল করতে গিয়ে প্রবীণ আইনজীবী অখিল সিবাল যুক্তি দেন যে, সিজেপি অ্যাকাউন্টটি ছিল সম্পূর্ণ একটি ‘ব্যঙ্গাত্মক অ্যাকাউন্ট।’ তিনি আরও বলেন, যদি নির্দিষ্ট কিছু টুইটকে ‘আপত্তিকর’ মনে করা হয়েও থাকে, তবে পুরো অ্যাকাউন্টটি স্থগিত না করে কেবল সেই বিতর্কিত পোস্টগুলোই ব্লক করা উচিত ছিল। মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন স্বস্তি চেয়ে দীপকের আইনজীবী আদালতকে ‘এক্স’ হ্যান্ডেলটি অবিলম্বে আনব্লক করার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, অ্যাকাউন্ট ব্লক করার কোনও আনুষ্ঠানিক নির্দেশ এখনও আবেদনকারীকে প্রদান করা হয়নি। তবে বিচারপতি কৌরব স্পষ্ট করে বলেন যে, স্থগিতাদেশের বিষয়টি যেহেতু এখনও আদালতের নথিতে পুরোপুরি আসেনি, তাই কেন্দ্র তাদের আনুষ্ঠানিক জবাব দাখিল করার পরেই আদালত এই অনুরোধটি বিবেচনা করবে। যদিও নিজের বক্তব্যের পক্ষে আগের কয়েকটি মামলার উদাহরণও তুলে ধরেন সিবাল। তাঁর দাবি, অতীতেও এ ধরনের ঘটনায় আদালত অন্তর্বর্তী স্বস্তি দিয়েছে। তবে আদালত জানায়, বর্তমান মামলার পরিস্থিতি অন্যগুলির থেকে কিছুটা আলাদা। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, ‘এই ক্ষেত্রে পুরো কার্যকলাপের মধ্যেই কিছুটা আপত্তিকর উপাদান রয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *