কর্মসংস্থানের জন্য শিল্পে মেগা প্ল্যান রাজ্যের

Spread the love

Job creation linked industrial incentives: পশ্চিমবঙ্গে কর্মসংস্থানের জন্য নয়া ভাবনাচিন্তা শুরু করল রাজ্য সরকার। শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় জানিয়েছেন, শিল্পের জন্য যে ইনসেনটিভ প্রকল্প চালু করা হবে, তাতে বিনিয়োগের পরিবর্তে কর্মসংস্থানের উপরে জোর দেওয়া যায় কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা হচ্ছে। অর্থাৎ কোন সংস্থা কত কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে, সেটার ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ইনসেনটিভ (সরকারের দেওয়া এমন সব আর্থিক সুবিধা ও সহায়তা ব্যবস্থা, যেটার মাধ্যমে সংস্থাগুলিকে শিল্প গড়ে তোলা বা সম্প্রসারণ বা আধুনিকীকরণে উৎসাহিত করা হয়) প্রদান করা হতে পারে।

‘বিনিয়োগের পরিবর্তে কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে ইনসেনটিভকে’

আর সেই পরিকল্পনার বিষয়ে শুক্রবার কলকাতার একটি কনক্লেভে মন্তব্য করেছেন শিল্পমন্ত্রী। ‘উত্তরণ ২০২৬: বাংলা, বিল্ডিং দ্য নেক্সট গ্রোথ’-র মঞ্চ থেকে তিনি জানান, স্বাধীনতা দিবসেই রাজ্যের নয়া শিল্পনীতির ঘোষণা করা হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে কোন সংস্থা কত চাকরি দেবে, তার উপর নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে ইনসেনটিভ প্রদান করা হতে পারে। তাঁর কথায়, ‘আমরা বিনিয়োগের পরিবর্তে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সঙ্গে ইনসেনটিভকে যুক্ত করার কথা ভাবছি।’

তৃণমূলের তুলে দেওয়া ইনসেনটিভ প্রকল্প ফেরানো হবে

এমনিতে তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে কালো অধ্যায় কাটিয়ে রাজ্যে শিল্পের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে চাইছে বিজেপি সরকার। সেই লক্ষ্যে ইনসেনটিভ প্রকল্প নিয়েও আলোচনা চলছে। যা তৃণমূল সরকার তুলে দিয়েছিল। নয়া শিল্পনীতিতে সেই ইনসেনটিভ প্রকল্প সংক্রান্ত বিস্তারিত নীতি তৈরি করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘সিঙ্গল উইন্ডো’, জমির ব্যাঙ্কের মতো বিভিন্ন বিষয়ের উপরে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

রাজ্যের শিল্পের ছবি পালটানোর বার্তা অর্থমন্ত্রীর

তারইমধ্যে বেঙ্গালুরুতে বণিক সংস্থা বেঙ্গল চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজিত সামিটে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত বলেছেন, ‘জমির প্রতি আগের সরকারের দর্শন ছিল যে জমি অধিগ্রহণ করতে কাউকে সহায়তা করব না।’ সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে শিল্পের যে মরুভূমি তৈরি হয়েছিল, সেই ছবিটা পালটে দেবে শুভেন্দু অধিকারী সরকার। শিল্পপতিদের সামনে পশ্চিমবঙ্গে অনেক সুযোগ খুলে যাবে বলে দাবি করেছেন অর্থমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *