বইয়ের পাতা থেকে চরিত্রকে বারবার জীবন্ত হতে দেখেছেন দর্শকরা। এবার আবার ব্রাত্য বসুর হাত ধরে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘দ্রবমীর কাশীবাস’ এবং ‘দাদু’ বইয়ের চরিত্ররা আসতে চলেছে বড় পর্দায়। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে ছবির শ্যুটিং।
ব্রাত্য বসু পরিচালিত এই ছবির নাম ‘শেকড়’। ফ্রেন্ডস কমিউনিকেশন এবং উল্কি এন্টারটেইনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড প্রযোজিত এই ছবিতে অভিনয় করবেন চঞ্চল চৌধুরী, লোকনাথ দে, সীমা বিশ্বাস, জয়তী চক্রবর্তী, ঋদ্ধি সেন, অঙ্গনা রায় এবং অনুজয় চট্টোপাধ্যায়, অনুসূয়া মজুমদার এবং অম্বরীশ ভট্টাচার্য।এই ছবিতে রয়েছে আরও একটি বড় চমক। সিনেমায় একজন রাজনীতিবিদের ভূমিকায় অভিনয় করবেন কুনাল ঘোষ। এছাড়াও একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন নারায়ণ গোস্বামী। যদিও তাঁদের শ্যুটিং শুরু হবে পরে।
সিনেমার সঙ্গীত পরিচালনা করবেন প্রবুদ্ধ বন্দোপাধ্যায়। পোশাকের দায়িত্বে রয়েছেন সাবর্ণী দাস, চিত্র পরিচালনায় সৌমিক হালদার। মেকআপের দায়িত্ব রয়েছেন সোমনাথ কুন্ডু। চিত্রনাট্যের দায়িত্বে সংলাপ ভৌমিক।
কলকাতা বারাণসী এবং বোলপুরের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে চলছে ছবির শ্যুটিং। সিনেমায় এই প্রথম চঞ্চল চৌধুরীর সঙ্গে অভিনয় করবেন লোকনাথ। এর আগে বৃদ্ধের চরিত্রে একাধিকবার অভিনয় করলেও এমন চরিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করতে চলেছেন।

গল্পে তিন প্রজন্মের কাহিনি দেখতে পাওয়া যাবে। লোকনাথ দে থাকবেন বাবার ভূমিকায়, চঞ্চল চৌধুরী হবেন ছেলে এবং চঞ্চল চৌধুরীর ছেলের চরিত্রে অভিনয় করবেন ঋদ্ধি। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুটি গল্পকে যেভাবে এক করা হয়েছে, সেখানেই থাকবে আসল চমক।
প্রসঙ্গত, দুই বাংলার উত্তপ্ত পরিস্থিতিকে অগ্রাহ্য করেই এই নতুন ছবির কাজ শুরু করার জন্য গত সোমবার বাংলাদেশ থেকে কলকাতা এসেছেন চঞ্চল চৌধুরী। ‘পদাতিক’ ছবির পর আবার এই ছবির জন্য তিনি উড়ে এলেন ভারতে। বোলপুর স্টেশন থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মোহনপুর গ্রামে চলছে ছবির কাজ। খুব সম্ভবত আগামী বছর মার্চের দিকে মুক্তি পেতে পারে ছবিটি।