তেল উৎপাদন বাড়াতে না দিলে ওপেক ছেড়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইরাকের

Spread the love

তেল উৎপাদনকারী জোট (ওপেক) যদি বাগদাদকে উল্লেখযোগ্যভাবে তেল উৎপাদন বাড়াতে না দেয়, তবে ইরাক ওপেক ছেড়ে যাওয়ার কথা বিবেচনা করেছে। রয়টার্সকে এমন তথ্য জানিয়েছেন বিষয়টি সম্পর্কে অবগত সূত্র।

ইরাকের এই জোট ছেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠনটির (ওপেক) জন্য একটি গুরুতর আঘাত হবে, যেখান থেকে দুই মাসেরও কম সময় আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত বেরিয়ে গিয়েছিল।

সৌদি আরবের পর ইরাক এই গোষ্ঠীর দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎপাদক এবং এর পাঁচটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের মধ্যে অন্যতম। ১৯৬০ সালে ইরাকের রাজধানীতে ওপেক গঠিত হয়েছিল।
 
 
দেশটি তার আয়ের সিংহভাগের জন্য তেলের ওপর নির্ভরশীল, যা ইরান যুদ্ধের পর থেকে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে, কারণ এই যুদ্ধ কার্যকরভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে।
 
রয়টার্স বলছে, যুদ্ধের ফলে সরকার একটি আর্থিক সংকটের সাথে লড়াই করছে এবং জানিয়েছে, ওপেক কোটায় একটি উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত।
 
বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে এমনটাই জানিয়েছেন ইরাকের তেল মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
তিনি আরও বলেন, ইরাক ওপেক ছেড়ে যাওয়ার কথা বিবেচনা করেছিল, কিন্তু বর্তমান পরিকল্পনা হলো সদস্য থাকা এবং উচ্চতর কোটা চাওয়া।
 
জুলাই মাসের জন্য ইরাকের কোটা হলো দৈনিক ৪৩ দশমিক ৭৮ লক্ষ ব্যারেল, যদিও হরমুজের বিঘ্নের কারণে বর্তমান উৎপাদন এর চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
 
‘সৌদি আরব এবং অন্যান্য ওপেক মিত্রদের এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা উচিত। তা না হলে, ইরাক উপলব্ধ সমস্ত বিকল্প বিবেচনা করতে বাধ্য হবে, তিনি বলেন।

তবে, ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তারা আলোচনা করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন: ‘এই পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এখনও সময় আসেনি।’
এদিকে, ইরাকের তেল মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানিয়েছে যে, বাগদাদ ওপেক থেকে তার সদস্যপদ ত্যাগের কথা বিবেচনা করছে বলে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা ইরাকি সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থানের প্রতিফলন নয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *