পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলার ঘোষণা প্রসঙ্গে মুখ খুললেল রবিনা!

Spread the love

পঞ্জাবের রাস্তা থেকে পথকুকুরদের সরিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সরকারি অভিযান প্রসঙ্গে অভিনেত্রী রবিনা ট্যান্ডন মুখ খুলেছেন। অভিনেত্রী পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের কাছে একটি আবেগঘন আবেদন জানিয়েছেন, যাতে এই রায়টি সহানুভূতি, মানবিকতা এবং ভারসাম্যের সঙ্গে কার্যকর করা হয়।

শনিবার, রবীনা ইনস্টাগ্রামে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে উদ্দেশ্য করে একটি নোট শেয়ার করেছেন, যেখানে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে রায়ের ব্যাখ্যা এবং বাস্তবায়ন মানবিকতা ও ভারসাম্যের সঙ্গে পরিচালনা করা হয়।

তিনি লেখেন, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান জি, পথচারী পশু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রায়কে ঘিরে সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণগুলো সারা দেশে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে এই রায়ের ব্যাখ্যা ও বাস্তবায়ন মানবিক এবং ভারসাম্যপূর্ণ হবে। বন্ধ্যাকরণ, টিকাদান, উপযুক্ত আশ্রয় এবং সুসংগঠিত পুনর্বাসনের মতো সহানুভূতিশীল সমাধানগুলো নাগরিক ও পশু উভয়কেই রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।’

রবিনা আরও জানান, তিনি বিশ্বাস করেন যে দায়িত্ববোধ ও সহানুভূতির সঙ্গে এই সংবেদনশীল বিষয়টি মোকাবেলা করে পাঞ্জাব একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার সুযোগ পেয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে কর্তৃপক্ষ, প্রাণী কল্যাণ সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় পঞ্জাব এই সংবেদনশীল বিষয়টিকে দায়িত্ব ও সহানুভূতির সঙ্গে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। আমরা অবলাদের সঙ্গে কেমন আচরণ করি, তা-ই শেষ পর্যন্ত সমাজ হিসেবে আমাদের পরিচয়কে প্রতিফলিত করে।’

এর আগে, সোনু সুদও তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তিনি পঞ্জাবে পথকুকুরদের নিয়ে যা ঘটছে সে সম্পর্কে কথা বলেন। তিনি জানান, ‘আজ আমি একটি টুইট দেখেছি, যেখানে আমাদের মাননীয় পাঞ্জাব মুখ্যমন্ত্রী পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলার আদেশ দিয়েছেন। এরপর তাদের সঙ্গে কী ঘটছে, তা নিয়ে আমি অনেক ভিডিয়ো দেখেছি। সেগুলো খুবই উদ্বেগজনক ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমাদের এটা স্বীকার করতে হবে যে কুকুর বিশ্বস্ত প্রাণী। অনেকেই পথকুকুর দত্তক নেন এবং প্রতিদিন তাদের যত্ন নেন। তারা ততটা ক্ষতিকর নয়। হ্যাঁ, পথকুকুরের বাচ্চাদের কামড়ানোর ঘটনা ঘটে, কিন্তু ওই এলাকার মানুষ জানে কোনগুলো ক্ষতিকারক। অনেক সময় তারা অভিযোগ করলে, সেগুলোকেও সরিয়ে নেওয়া হয়।’

শুক্রবার পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান বলেছেন যে, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর সরকার জনবহুল এলাকাগুলো থেকে পথকুকুর ‘অপসারণ’ করার জন্য কাজ করবে এবং ‘মানুষের জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ বিপজ্জনক ও আক্রমণাত্মক কুকুরদের’ বিরুদ্ধে ‘ইউটানেশিয়াসহ আইনসম্মত ব্যবস্থা’ গ্রহণ করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *