পশ্চিমবঙ্গ-সহ ৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয় ডিফল্টার! বাতিল হবে অনুমোদন?

Spread the love

পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ৫৪ টি বেসরকারি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশ্ববিদ্যালয়কে খেলাপি অর্থাৎ ডিফল্টার ঘোষণা করেছে ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয়য় মঞ্জুরি কমিশন। ইউজিসি তাদের তালিকাও প্রকাশ করেছে। ইউজিসির মতে, এই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করেনি, তাই তাদের খেলাপি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।আর যার জেরে শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে হিমশিম খেতে হয়েছে।

ইউজিসি সচিব মনীশ যোশী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভর্তির আগে শিক্ষার্থীদের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ বা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে নির্ভুল তথ্য থাকা উচিত। এর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি, কোর্সের নাম, শিক্ষার মাধ্যম, মূল্যায়ন ব্যবস্থা, ইউজি, পিজি এবং পিএইচডি প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীর সংখ্যা, ক্যাম্পাসের বাইরে প্লেসমেন্ট, অনুষদের যোগ্যতা, ক্রীড়া সুবিধা এবং সংরক্ষণের মতো তথ্য। ইউজিসি সতর্ক করেছে যে যদি এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নির্দেশ উপেক্ষা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। কর্মকর্তারা বলছেন, উচ্চশিক্ষা নিয়ন্ত্রক গত কয়েক মাস ধরে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপর কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। গত জুলাই মাসে, আরও ২৩টি প্রতিষ্ঠানকে ইউজিসি-র নিয়ম লঙ্ঘনের জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশিকার অর্থ কী?

ইউজিসি ৫৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে অবিলম্বে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সতর্ক করেছে। যদি প্রতিষ্ঠানগুলি শীঘ্রই প্রয়োজনীয় তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড না করে, তাহলে কমিশন তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে। এই বিজ্ঞপ্তিটি সেই সব শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যারা এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ভর্তির কথা ভাবছেন অথবা ইতিমধ্যেই সেখানে পড়াশোনা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে সম্পূর্ণ তথ্যের অভাব শিক্ষার্থীদের সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধার কারণ হতে পারে। তাই, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ভর্তির আগে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে সমস্ত তথ্য খতিয়ে দেখার করার পরামর্শ দিয়েছে ইউজিসি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রকাশিত এই তালিকায় মধ্যপ্রদেশের ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়কে খেলাপি ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে-আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় (ভোপাল), আর্যাবর্ত বিশ্ববিদ্যালয় (সেহোর), ড. প্রীতি গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি (শিবপুরী), জ্ঞানভর বিশ্ববিদ্যালয় (সাগর), জেএনসিটি প্রফেশনালইউনিভার্সিটি (ভোপাল), মহাকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (জব্বলপুর), মহর্ষি মহেশ যোগী বৈদিক বিশ্ববিদ্যালয় (জব্বলপুর), মানসরোবর গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি (সেহোর), শুভম বিশ্ববিদ্যালয় (ভোপাল)। এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, হরিয়ানা, কর্ণাটক এবং অসমের ১টি, বিহার ও ছত্তিশগড়ের ৩টি, গুজরাটের ৮টি, ঝাড়খণ্ডের ৪টি, মহারাষ্ট্রের ২টি, মণিপুরের ৩টি, পাঞ্জাবের ২টি, সিকিম এবং ত্রিপুরার ৫টি, উত্তরাখণ্ডের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিফল্টার ঘোষণা করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *