চলতি বছরে বাংলা ছবির বক্সঅফিসে ঝড় তুলেছে দেবের একের পর এক ছবি। ‘খাদান’ থেকে শুরু করে ‘ধূমকেতু’, ‘রঘু ডাকাত’ সব ছবির বক্সঅফিস কালেকশন তা লাগানোর মতো। ধূমকেতু এক সপ্তাহে প্রায় ১৫ কোটি ২৪ লক্ষ টাকা ব্যবসা করেছিল বলে নির্মাতা দাবি করেছিলেন। কিন্তু নানা সময় বক্সঅফিসের এই তাক লাগানো কালেশনকে অনেকেই মিথ্যে বা ফেক বলে দাবি করেছেন। এই প্রসঙ্গে দেবের কী মত?
আনন্দলোককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেব এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘সত্যি মিথ্যে বলে কিছু হয় না। পৃথিবী জুড়ে এই নিয়মটা হচ্ছে। এখন ধুরন্ধর যে কালেকশন দেখাচ্ছে তাঁর সত্যি মিথ্যে দেখতে যাচ্ছে কেউ? কিন্তু বিশ্বাস করছে। এই খেলাটা পুরো ধারণার। এই খেলাটা শুরু হয়ে গিয়েছে। আমরা আগে রাত জেগে টেস্ট ম্যাচ দেখতাম। এখন ২০-২০। এটাই ফরম্যাট। তাই না চাইলেও সকালে ঘুম থেকে উঠে স্যোশাল মিডিয়ায় বলতে হচ্ছে কালেকশন তো ভালো। ছবি চলুক না চলুক কেউ জিজ্ঞাসা করবে না, কটা ১০০টা হাউসফুল না ২০০টা হাউজফুল শেষ নম্বরটাই কথা বলে।’
এরপরই ধূমকেতুর কালেশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় দেব জাবাব দেন, ‘ধূমকেতু এক্সটা অরডিনারি ছিল। কালেশনের বিষয়টা রানা সরকার বলতে পারবেন। কিন্তু ধূমকেতু যা ব্যবসা করেছে তা অভাবনীয়। বাংলার ইতিহাসে প্রথমবার সকাল ৭টার শো। গোটা বাংলায় হাউজফুল। এক সপ্তাহ ধূমকেতু যা ব্যবসা দিয়েছে। ছুটির দিন না হওয়ার সত্ত্বেও আমরা রাত ১২টায় শো রেখেছিলাম। ধূমকেতু আমাদের প্রত্যেকের জীবনের এমন একটা ছবি যেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি, মানে আমার, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের, রানা সরকার, শুভশ্রী(শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়), রুদ্র (রুদ্রনীল ঘোষ)।’

কিন্তু বক্সঅফিস কালেশন বাড়িয়ে বলে কী লাভ পাওয়া যায়? এতে কী নতুন বিনিয়োগকারীদের আনা যায় না ওটিটিতে ছবিটা বেশি দামে বিক্রি করা যায়? এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলে নায়ক তথা প্রযোজক দেব বলেন, ‘আসলে ধরণা তৈরি হয়। রেটিং কেনা যায় বর্তমানে, রিভিউ কেনা যায় এটা কিন্তু নিউ নরম্যাল। এটাও নিউ নরম্যাল।’