বাড়িতে চলা ‘কোচিং সেশন’ ঘিরে উঠছে প্রশ্ন

Spread the love

নিট ২০২৬ সালের প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে এবার সিবিআইএর জালে মণীষা মান্ধারে। নিটের বায়োলজির প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে মহারাষ্ট্রের বটানি-র শিক্ষিকা মণীষা মান্ধারেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই প্রশ্নপত্র ফাঁস কাণ্ডে অধ্যাপিকা মণীষাকে অন্যতম মাস্টারমাইন্ড বলে চিহ্নিত করেছে সিবিআই।

তদন্তকারীদের মতে, ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)-র সঙ্গে যুক্ত বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করার সময় উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যার (বটানি, জুলজি) প্রশ্নপত্রে মণীষার সরাসরি প্রবেশাধিকার ছিল। তদন্তকারীদের অভিযোগ, পরীক্ষা ব্যবস্থার ভেতরে তাঁর ভূমিকার কারণে ২০২৬ সালের ৩ মে পরীক্ষাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই তিনি জীববিজ্ঞানের গোপনীয় প্রশ্নপত্রে অবাধ প্রবেশাধিকার পেয়েছিলেন।

সিবিআই-র তদন্ত এটাও বলছে যে, ২০২৬ এপ্রিল নাগাদ, অভিযোগ রয়েছে যে, মান্ধারে পূর্বে গ্রেফতার হওয়া আরও এক অভিযুক্ত মনীষা ওয়াগমারের মাধ্যমে সম্ভাব্য নিট পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত ও সংগঠিত করেছিলেন। এদিকে, নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁসের পরিধি ক্রমেই বাড়ছে। তদন্তের অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত একাধিক শহর থেকে নয়জনকে আটক করা হয়েছে।

কে মণীষা মান্ধারে

তথ্য বলছে, পুণের শিবাজি নগরের ‘মর্ডান কলেজ অফ আর্টস সায়ান্স অ্যান্ড কমার্স’র অধ্যাপিকা এই মণীষা মান্ধারে। রিপোর্ট দাবি করছে, গত ৫ থেকে ৬ বছর ধরে নিট প্রশ্নপত্র তৈরির ক্ষেত্রে গত ৫ থেকে ৬ বছর ধরে সংযুক্ত ছিলেন মণীষা। মান্ধারে, নিট ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার জন্য উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যা অংশের প্রস্তুতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। কথিত তথ্য ফাঁসের সময়ও তিনি পুনের সেই কলেজে কর্মরত ছিলেন।

তদন্তকারীরা বলছেন, অভিযোগ, মান্ধারের পুনের বাসভবনে বিশেষ কোচিং সেশন চালানো হতো। এই ক্লাস চলাকালীন ছাত্রছাত্রীদের খাতা-পত্রে উদ্ভিদবিদ্যা ও প্রাণিবিদ্যার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন লিখে রাখতে এবং পাঠ্যবইয়ের ভেতরে সেগুলো চিহ্নিত করতে বলা হত। কর্মকর্তাদের মতে, এই প্রশ্নগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই পরবর্তীতে প্রকৃত নিট ইউজি ২০২৬র জীববিজ্ঞান প্রশ্নপত্রের সাথে মিলে গিয়েছে। অভিযোগকৃত এই কার্যকলাপটি একটি সংগঠিত তথ্য ফাঁসকারী নেটওয়ার্কের দিকে ইঙ্গিত করে, যেখানে অভ্যন্তরীণ ব্যক্তি, দালাল এবং প্রার্থীরা জড়িত ছিলেন বলে নানান রিপোর্টের সূত্রে জানা যাচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *