বালি পাচার মামলায় সক্রিয় ইডি

Spread the love

বালি পাচার ও খাদান টেন্ডার দুর্নীতি মামলায় ফের সক্রিয় ইডি। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই রাজ্যের একাধিক জায়গায় সক্রিয় হয়েছে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। ঝাড়গ্রাম, আসানসোল থেকে কলকাতার বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন ইডি-র আধিকারিকেরা। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সশস্ত্র জওয়ানদের বড় টিম।

সবচেয়ে বেশি তৎপরতা ঝাড়গ্রাম ও আসানসোলে। গোপীবল্লভপুর, লালগড়ের একাধিক বালি খাদান ঘিরে সকাল থেকেই পৌঁছে যায় ইডি টিম। মুর্গাশোল এলাকায় বালি ব্যবসায়ী মণীশ বাগারিয়ার বাড়ি ঘিরে চলে তল্লাশি। স্থানীয় সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই মণীশ ওই অঞ্চলে বালির অবৈধ কারবারের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। প্রায় ৪০ জনের একটি টিম বাড়িতে ঢুকে প্রথমেই পরিবারের সদস্যদের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করে তদন্ত শুরু করে। আশেপাশের এলাকা জুড়ে শুরু হয় চাঞ্চল্য, কৌতূহলী জনতার ভিড় রাস্তায়। শুধু জঙ্গলমহলই নয়, সমান্তরাল অভিযান চলছে আসানসোল ও কলকাতাতেও। ডালহৌসির বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটের এক বাণিজ্যিক দফতরে ইডির তদন্তকারীরা পৌঁছেছেন। জানা গিয়েছে, ওই অফিস আসানসোলেরই এক বালি ব্যবসায়ীর সঙ্গে যুক্ত। যদিও বেলা বাড়লেও সেই অফিসে ঢোকার অনুমতি মেলেনি। ফলে প্রক্রিয়া থমকে ছিল কিছুক্ষণের জন্য।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির লক্ষ্য নগদ অর্থের উৎস, হিসেব বহির্ভূত লেনদেন ও বালি ব্যবসার আড়ালে সম্ভাব্য অর্থপাচারের চক্র। উল্লেখ্য, ঠিক এক মাস আগেই ৯ সেপ্টেম্বর একই মামলায় অভিযান চালিয়েছিল ইডি। সেদিন মেদিনীপুরের ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা। গোপীবল্লভপুরের আর এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মিলেছিল প্রায় ২৫ লক্ষ নগদ। সৌরভের ঝাড়গ্রামে রয়েছে একাধিক খাদান, লালগড়ে দোতলা বাংলো ও অফিস। সেখান থেকেই নাকি চলে ব্যবসা। বৃহস্পতিবার তারই সূত্র ধরে আবারও তল্লাশি চালানো হয়েছে সৌরভের অফিস ও সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথিপত্রের খোঁজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *