বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে কি অবশেষে মুখ খুললেন নীলাঞ্জনা?

Spread the love

টলিউডের আদর্শ দম্পতিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন যীশু সেনগুপ্ত এবং নীলাঞ্জনা শর্মা। কিন্তু আচমকাই দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়। আইনিভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ না হলেও এই মুহূর্তে দুজনে রয়েছেন আলাদা। শুনতে পাওয়া যায়, মুম্বইয়ে থাকাকালীন কোনও এক নারীর প্রতি ঘনিষ্ট হয়ে পড়েন যীশু, যার জেরে সাংসারিক সম্পর্কে অবনতি ঘটে।

স্বামীর থেকে আলাদা থাকলেও দুই সন্তানকে নিয়েই বেঁচে রয়েছে নীলাঞ্জনা। পাশাপাশি নিনি চিনিজ মাম্মা প্রোডাকশন হাউজ সামলাচ্ছেন একা হাতে। দুর্গাপুজোর আগে বাড়ির জন্য নতুন একটি নেমপ্লেট নিয়ে এসেছিলেন, যেখানে খুব সচেতনভাবে বাদ দিয়ে দেন স্বামীর নাম।

এবার একটি ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করতে দেখা যায় নীলাঞ্জনা শর্মাকে, যেখানে তিনি নিজের জীবন এবং বৈবাহিক সম্পর্কে টানাপোড়েন নিয়ে কিছু কথা লেখেন। নীলাঞ্জনা যে পোস্ট করেন সেখানে বেশ কয়েকটি কোট দেখতে পাওয়া যায় এবং সঙ্গে দেখা যায় বেশ কয়েকটি ছবি।

ছবিতে সিদ্ধার্থ সেনগুপ্ত এবং সুজাতা সেনগুপ্তের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় নীলাঞ্জনাকে। সঙ্গে তিনি লেখেন, ‘কেউ নিজের ব্যথার তকমা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় না। বিবাহ বিচ্ছেদ, বাবা মাকে হারানো, অনিদ্রা অথবা জীবনের হাল ছেড়ে দেওয়া, এই সমস্ত গল্প সবার জীবনেই রয়েছে। তবে এইসব পেরিয়ে যদি আপনি যুদ্ধ করতে চান তবেই আপনি জীবনে বাঁচতে পারবেন।’

নীলাঞ্জনা আরও লেখেন, ‘কেউ শুধু চুপ করে আছে বলে তার মানে এই নয়, তার জীবনে কোন কষ্ট নেই। কেউ নিজের সম্পূর্ণ গল্প পোস্ট করে না। সাফল্যের পেছনেও অনেক কষ্ট রয়েছে। হাসির পেছনেও অনেক কান্না লুকিয়ে থাকে। আত্মবিশ্বাসের পেছনেও অনেক ভেঙে যাওয়ার গল্প থাকে। পৃথিবী আপনার ব্যথাকে প্রশ্রয় দেবে না তাই ভালো আছি এই কথার আড়ালে বেঁচে থাকতে হয়।’

নীলাঞ্জনার এই পোস্ট দেখে বোঝাই যাচ্ছে ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এখন নিজেকে অনেকটাই সামলে নিয়েছেন, বৈবাহিক জীবন থেকে সরে এসেছেন তিনি। তবে শুধু নীলাঞ্জনা নয়, বাবার থেকে দূরত্ব বজায় রাখেন সারা। এই মুহূর্তে মুম্বইয়ে চুটিয়ে মডেলিং করছেন সারা। বেশ কিছুদিন আগেই বাবাকে আনফলো করে দিয়েছেন তিনি।

নীলাঞ্জনার এই পোস্টে মিমি চক্রবর্তী ভালোবাসা জানিয়েছেন। নীলাঞ্জনাকে মন শক্ত রাখার উপদেশ দিয়েছেন বহু মানুষ। সবকিছু ভুলে তিনি যেভাবে নিজেকে সামলে এগিয়ে চলেছেন, তার প্রশংসাও করতে দেখা গিয়েছে সবাইকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *