পদত্যাগ করেননি, তাই খাতায় কলমে এখনও তিনিই মুখ্যমন্ত্রী। তবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন আর বিধায়কও নন। নিজের এলাকা ভাবানীপুর থেকেই হেরেছেন তিনি। তবে ফলাফল প্রকাশ হতে শুরু করতেই মমতার বাড়ির সামনে নিরাপত্তা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তবে এবার তাঁর বাড়ির গলির সামনে থাকা গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হল।
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরও ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটেই থাকতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিক বার মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনা। এই আবহে ২০১৬-র পর মমতার বাড়ির নিরাপত্তা বলয় বাড়ানো হয়েছিল। তাঁর বাড়ির সামনের রাস্তাটা কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মেইন রোড থেকে ঢুকতে গেলেও গার্ডরেল পেরতে হত। সেই গার্ডরেল সরিয়ে দেওয়া হল। তবে গলির মুখে যে পুলিশি নিরাপত্তা রয়েছে, তা বহাল থাকছে।এদিকে প্রাক্তন হয়েও এখনও পদত্যাগ করেননি মমতা। প্রথা অনুযায়ী, ফলাফল নিশ্চিত হলে মুখ্যমন্ত্রী গিয়ে পদত্যাগ করেন। হার, জিত নির্বিশেষে সরকারের মেয়াদ শেষের সময় মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী যদি জয়ী হন, তাহলে তিনি নতুন করে শপথ গ্রহণ করেন। তবে এই ক্ষেত্রে মমতা হেরে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁর পদত্যাগ না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। উল্লেখ্য, যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে, তাদের আমন্ত্রণ জানাবেন রাজ্যপাল। নয়া সরকার গঠনের আগে পর্যন্ত বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীকে কেয়ারটেকার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অনুরোধ জানান রাজ্যপাল। তবে নয়া সরকার গঠনের আগে যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ইস্তফা না দেন, তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা যায়, সেই নিয়েও চিন্তা-ভাবনা করছে রাজভবন।
