মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে গিয়েও এখনও পদত্যাগ করেননি। তবে তাঁর সরকারের নিযুক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দিলেন রাজ্যপালকে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল পদে নিয়োগ করা হয়েছিল কিশোর দত্ত। এরপর থেকে তিনিই এই দায়িত্বে আছেন। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তারপরই কিশোর দত্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। আর নয়া সরকার গদিতে বসার আগেই নিজে থেকে কিশোর পদত্যাগ করলেন।
এদিকে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত মামলার পক্ষে বা বিপক্ষে এখনই কোনও রায় না দেওয়ার জন্য হাই কোর্টে অনুরোধ করলেন বিজেপির আইনজীবীরা। এ বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী সুস্মিতা সাহা দত্ত। আবেদনকারীর বক্তব্য, নতুন সরকারের আইনজীবীদের তালিকা তৈরি করতে সময় লাগবে। এ অবস্থায় আদালত যাতে রাজ্যের মামলাগুলিতে কোনও রায় দান না করে। এই আবহে বিজেপিপন্থী আইনজীবীদের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মামলাগুলির বিষয়বস্তুর ভিত্তিতে এই অনুরোধ বিবেচনা করে দেখবে আদালত।
উল্লেখ্য, বিগত দিনে রাজ্যের করা আরজি কর মামলা থেকে ডিএ মামলায় সরকারি আইনজীবীরা যে সব যুক্তিতে সওয়াল-জবাব করেছেন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে অনেক চর্চা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই সরকারের অবস্থান গ্রহণ করতে গিয়ে সরকারি আইনজীবীদের বিচারপতিদের ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছ। এদিকে সরকারে পালাবদল হওয়ায় এবার প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বদল আসবে। এই আবহে বহু ক্ষেত্রে মামলায় সরকারের অবস্থান বদলাবে। আবার অনেক মামলা হয়ত প্রত্যাহার করা হতে পারে। এই আবহে বিজেপি সরকারের নয়া আইনজীবী প্যানেল গঠন হওয়ার আগে কোনও মামলায় আদালত রায় দিলে তা সরকারের জন্য অস্বস্তিকর হতে পারে।
