তারকা প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে এখন আর যুক্ত নন। যদিও তাঁদের প্রচারে দেখতে পাওয়া গিয়েছে এই বছরেও। কিন্তু এই তারকা প্রার্থীদের মধ্যে এমন একজন আছেন যিনি চলতি বছর ভোটের আগেই শুধুমাত্র তৃণমূল ছেড়ে দিয়েছেন তা নয়, ছেড়ে দিয়েছেন রাজনীতিও। তিনি হলেন পরিচালক তথা অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।
কিন্তু ভোটের কিছু সময় আগেই কেন তিনি হঠাৎ করে রাজনীতি ছেড়ে দিলেন? তাহলে কি ভোটের এই ফলাফলের আঁচ আগেই পেয়েছিলেন তিনি? এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করায় দ্যা ওয়ালকে কি জানালেন চিরঞ্জিত?
ভোটের আগে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে চিরঞ্জিত বলেন, ‘আমি এবার দাঁড়াবো না বলেই ছেড়ে দিয়েছিলাম। একটাই মানুষ রাজনীতি ছেড়ে দিল এই বছর, এই ভোটে, এই সময়ে। সেটাই প্রমাণ হচ্ছে যে আমি কি বুঝেছিলাম। ঝড়টা হবে হয়তো ভাবিনি কিন্তু আঁচ করেছিলাম। যা যা হয়েছে এত বছর ধরে, এর মধ্যে অনেক ভুল আছে যা আমার ভালো লাগেনি।’
অভিনেতা বলেন, ‘সময়টা তৈরি হয়ে গিয়েছিল এটা আমি বুঝেছিলাম। তাই আমার মনে হয়েছে আমি রাজনীতিটাই ছেড়ে দেব। যেভাবে চুরি দেখা গিয়েছে, অভয়া কাণ্ডের কথা জানা গিয়েছে, এই যে ২৬ হাজার চাকরি গিয়েছে পরপর ঘটনা। নেত্রী যদি চাইতেন তাহলে হয়তো কিছুটা কভার করতে পারতেন। তাহলে এই ক্ষতিটা হতো না।’
পরিচালক বলেন, ‘এমন তো নয় মুখ্যমন্ত্রী কিছু করেননি। উনি কাজও অনেক করেছেন। কিন্তু সেই কাজের তুলনায় এই ভুলগুলো অনেক বড় হয়ে গিয়েছিল। এটাই যা।’

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে লড়াইয়ের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেছিলেন চিরঞ্জিত। ২০১১ সালে বিপুল ভোটে বিজেপি প্রার্থী চট্টোপাধ্যায়কে হারিয়ে তিনি বিধায়ক হন। এরপর টানা ৩ বার বারাসাত কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের বিধায়ক হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন তিনি।তবে এতকিছুর পরেও তিনি এই বছর রাজনীতি ছেড়ে দিয়ে নিজের অভিনয়ে জোর দেওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই কথা মতোই ভোটের আগে রাজনীতি ছেড়ে দেন তিনি।