মায়ের জন্য শুধুমাত্র একটা দিন ধার্য করা যায় না, তবুও মাতৃদিবস উদযাপনের মাধ্যমে মাকে ভালো রাখার চেষ্টা করেন সকলে। এই দিন উদযাপনের মাধ্যমে মায়েদের আরও একবার বলা, তাঁরা কতটা স্পেশাল। মা ছাড়া যে জীবন অন্ধকার, সেটা তারাই বুঝে যাদের মা নেই। আবার এমন অনেক মাও আছেন, যারা গর্ভে সন্তান না ধারণ করেও প্রতিনিয়ত মায়ের কর্তব্য করে চলেছেন।
মাতৃ দিবসে তাই পুরাণের পাতা উল্টিয়ে দেবী দুর্গার গল্প বললেন সুদীপা। দেবী দুর্গা তাঁর ৪ সন্তানের কাউকেই গর্ভে ধারণ করেননি। মায়ের ইচ্ছে শক্তি দিয়ে তৈরি হয়েছে গণেশ, গঙ্গা ধারণ করেছিলেন কার্তিককে, লক্ষ্মী আর সরস্বতী মায়েরই অন্য রূপ।পুরাণ অনুযায়ী, গণেশকে হারিয়ে যখন ক্রুদ্ধ দেবী যখন অভিশাপ দেন যে কোনও দেবী আর মা হতে পারবেন না তখন ব্রহ্মা, মাকে শান্ত করে বলেছিলেন, নিজের সন্তান না থাকলেও জগত সংসারের সকলেই তাঁর সন্তানসম। এরপর থেকেই কন্যা রূপে পুজিতা হলেও দেবী দুর্গা সকলের মা। শুধুমাত্র মানুষ নয়, গাছপালা জীবজন্তু সকলের মা তিনি।
নিজেও ব্যক্তিগত জীবনে এক সন্তানের মা। তবে আদিবের বায়োলজিক্যাল মা হলেও তিনি আকাশেরও মা। প্রসঙ্গত, আকাশ অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়ের আগের স্ত্রীর সন্তান। কিন্তু গর্ভধারিনী মা না হলেও আকাশকে মায়ের থেকে কম ভালোবাসেন না সুদীপা। তাই হয়তো মাতৃ দিবসে তিনি দেবী দুর্গার সঙ্গে নিজের তুলনা টানলেন, যিনি গর্ভে সন্তানকে না ধারণ করেও আজ গোটা জগত সংসারের মা।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে এখন তিনি অনেকটাই সুস্থ আছেন। স্বামী ও সন্তানের দেখাশোনা করতে গিয়ে মাঝে নিজেও অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সুদীপা। এর মধ্যেই আবার ছোট ননদকেও হারিয়েছিলেন তিনি। সব মিলিয়ে বিগত কিছুদিন বেশ টানাপোড়েনের মধ্যেই কেটেছে অভিনেত্রীর।
