মোতালেবের ‘ফুর্তির ঘর’ থেকে মেলে ভারতে তৈরি বিদেশি মদের বোতল

Spread the love

বাংলাদেশের খুলনায় এনসিপি নেতার গুলিকাণ্ডে এবার পুলিশের জালে তাঁর বান্ধবী তনিমা। এই তনিমা যুবশক্তির নেত্রী। জানা গিয়েছে, খুলনার এক বাড়িতে ২ মাস আগে ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন তনিমা। সেখানেই ফুর্তি করতে যেতেন এনসিপি নেতা মোতালেব শিকদার। সেখানেই ২২ ডিসেম্বর গুলিবিদ্ধ হন তিনি। সেই ঘর থেকে পুলিশ আবার ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ভারতে তৈরি বিলিতি মদের বোতল পেয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত করেছে যে এনসিপির শ্রমিক সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠক তথা দলের খুলনা বিভাগীয় কমিটির আহ্বায়ক মোতালেব সমাজ বিরোধীদের সঙ্গে যুক্ত।

জানা গিয়েছে, মোতালেবের চিকিৎসা চলছে। তাঁর বাঁ চোখের দিকে চোট লেগেছে। অনেক রক্তক্ষরণ হয়েছে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তার মাথার সিটি স্ক্যান করার জন্য শেখপাড়া সিটি ইমেজিং সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। মোতালেবকে প্রশ্ন করা হলে তিনি প্রথমে দাবি করেন, রাস্তায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে পুলিশ জানতে পারে সেই ঘরের কথা। সেখানে তল্লাশি অভিযান চালায় পলিশ। ঘটনায় জড়িতদের ধরতে পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান শুরু করে। পরে মোতালেবের বান্ধবী তনিমাকে গ্রেফতার করা হয়।

এদিকে মোতালেবের ওপর গুলির খবর প্রকাশ পেতেই বাংলাদেশের সাতক্ষীরা সীমান্ত, চুয়াডাঙা সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছিল বিজিবি। তবে তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই সামনে এসেছে ‘কেচ্ছা’। বাংলাদেশ পুলিশ বলছে, বাড়ির ভেতরের অন্তর্কোন্দলের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে পুলিশকে মোতালেব বলেন, মোটরসাইকেলে এসে দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে বাংলাদেশ পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে ঘটনা বাড়ির ভিতরে হয়েছে, রাস্তায় নয়। গুলিবিদ্ধ মোতেলেবের রক্তক্ষরণ হলেও তিনি প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানায়, সেই ঘর থেকে বিদেশি মদের বোতল, ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম এবং সেখানে আমরা একটি গুলির খোল উদ্ধার করতে পেরেছে তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *