যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টে এক ছুরি হামলার ঘটনার পর অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিয়েছে। একাধিক গাড়ি ও ভবনে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা।
খবরে বলা হয়েছে, গত সোমবার (৯ জুন) বেলফাস্টে ছুরি হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় একজন গুরুতর আহত হয়। এ ঘটনায় এক সুদানি যুবককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বেলফাস্টের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
এদিন রাতে শত শত বিক্ষোভকারী কয়েকটি বাড়ি, একটি বাস, গাড়ি ও ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেয়। পাশের নিউটাউনঅ্যাবি ও কিলকিল এলাকাতেও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
সহিংসতার ঘটনার নিন্দা জানান উত্তর আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও’নিল। তিনি বলেন, ‘মুখোশধারীরা পরিবারগুলোকে বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য করছে, যা নিরেট সন্ত্রাসী আচরণ।’

শান্ত হওয়ার আহ্বান
বেলফাস্টে সংঘটিত ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি চোখ, পিঠ ও মুখে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীর বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, ধারালো অস্ত্র রাখা ও হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগ আনা হয়।
হামলায় ৩০ বছর বয়সি এক সুদানি যুবকের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে তার নাম প্রকাশ করা হয়নি। তাকে আজ বুধবার (১০ জুন) আদালতে হাজির করার কথা। ছুরিকাঘাতের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর শহরে উত্তেজনা দেখা দেয়।
এদিকে বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। উত্তর আয়ারল্যান্ডের সহকারী চিফ কনস্টেবল রায়ান হেন্ডারসন এক সংবাদ সম্মেলনে এই অস্থিরতাকে একটি ‘গুরুতর ঘটনা’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি যে গত রাতের হত্যাচেষ্টার ঘটনায় মানুষের মনে ভয় থেকে শুরু করে ক্রোধ পর্যন্ত নানা ধরনের অনুভূতি তৈরি হবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমি শান্ত থাকার এবং আমাদের সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য আবেদন জানাচ্ছি।’