যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলা জোরদার! বিধ্বংসী হয়ে উঠছে ইরান

Spread the love

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের মাত্রা পৌঁছেছে চরমে। ইরাকের মার্কিন দূতাবাসসহ ইসরাইলের বেইত শেমেশ, তেল আবিব ও দখলকৃত জেরুজালেমের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে ইরান। অন্যদিকে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী তেহরান ও লেবাননের বিভিন্ন স্থানে বাসিজ ও হিজবুল্লাহ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও বিধ্বংসী হয়ে উঠছে ইরান। ইরাকের বাগদাদের মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন ও বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটি। কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটি, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ এবং ইরাকের এরবিলেও হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ৫৯তম ধাপের হামলা সম্পন্ন করেছে। এ হামলার মূল লক্ষই ছিল ইসরাইলের বেইত শেমেশ, তেল আবিব ও দখলকৃত জেরুজালেমের বিভিন্ন এলাকা।

অন্যদিকে ইরানজুড়ে অব্যাহত রয়েছে ইসরাইলের হামলা। আইআরজিসির প্যারামিলিটারি বাসিজকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে তেল আবিব। ইসরাইলের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি ও বাসিজ কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে তেহরান। এ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বিনইয়ামিন নেতানিয়াহু।

ইরানের শীর্ষ সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের যেকোনো জায়গায়, যেকোনো সময়ে লক্ষ্য করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইলের সেনাবাহিনী। একইসঙ্গে লেবাননে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে নেতানিয়াহু বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়েছেন। জবাবে ইসরাইলেও ব্যাপক হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের নাহারিয়ায় ইসরাইলের আক্রমণে বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জোর দিয়ে বলেছেন, কোনো একক নেতা বা কর্মকর্তার হত্যা দেশের ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারবে না। আল জাজিরাকে সংক্ষেপে দেয়া সাক্ষাৎকারে আরাঘচি বলেন, ইরানের শাসনব্যবস্থা এতটাই স্থিতিশীল যে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পরেও তা ভেঙে পড়েনি।

এদিকে, খুব দ্রুতই যুদ্ধ থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যৌথ অভিযানে ন্যাটো দেশগুলো সমর্থন জানালেও তারা সরাসরি অংশ নিতে আগ্রহী নয়।তিনি বলেন, আমরা খুব শিগগিরই ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসব। কিন্তু এই মুহূর্তে, তাদের সবদিক থেকেই ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। আবারও বলছি, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে আমরা দারুণ সমর্থন পেয়েছি। কিন্তু ন্যাটোর কাছ থেকে কার্যত কোনো সমর্থনই পাইনি। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *