রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ক্যাবিনেটে

Spread the love

WB 7th Pay Commission: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠক হল সোমবার। সেই বৈঠকে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা বা ডিএ সংক্রান্ত বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হিসেবে উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল। তবে বৈঠক শেষে মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বকেয়া ডিএ নিয়ে কোনও ঘোষণা করেননি। যদিও সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করার বি।য়ে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে আজকের মন্ত্রিসভায়। এদিকে আজকের বৈঠকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এবং সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে ভ্রমণের পক্ষেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক হয়েছিল নবান্নে। সেই বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পরবর্তী বৈঠকে ডিএ এবং বেতন কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। সেই ঘোষণার পর থেকেই সরকারি কর্মীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। এর আগে সম্প্রতি ‘বেঙ্গল টিচার্স অ্যান্ড এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন’ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ইমেল পাঠিয়ে ডিএ বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, বর্তমানে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা ১৮ শতাংশ হারে ডিএ পেলেও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের তুলনায় এখনও ৪২ শতাংশ কম ভাতা পাচ্ছেন। তাই অন্তত ১২ শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি করে তা ৩০ শতাংশে উন্নীত করার আবেদন জানানো হয়েছে। বকেয়া ডিএ নিয়ে আগের সরকারের আমলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। হাই কোর্ট ও পরে সুপ্রিম কোর্টেও মামলা হয়। সরকারি কর্মীদের অভিযোগ ছিল, ইচ্ছাকৃতভাবেই ডিএ আটকে রাখা হয়েছিল। পরে আদালত বকেয়া ডিএ প্রদানের পক্ষেই রায় দেয়।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, ২০০৯ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। বাকি অর্থ কীভাবে দেওয়া হবে, তা নির্ধারণের জন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যদিও পরবর্তী সময়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন জানিয়েছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। নির্বাচনের আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন, রোপা-২০০৯ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ ২০২৬ সালের মার্চ থেকে দেওয়া শুরু হবে। তবে সরকারি কর্মীদের একাংশের দাবি, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সেই অর্থ এখনও হাতে আসেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *