রোহিতকে যে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, সেই বিষয়টি জানার পরে ভারতের তারকা ক্রিকেটারের প্রতিক্রিয়া কী ছিল, তা জানাতে চাননি আগরকর। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নির্বাচক কমিটি এবং রোহিতের মধ্যেই থাকা উচিত। সেইসঙ্গে আগরকর জানিয়েছেন, রোহিত যদি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নাও জিততেন, তাহলেও তাঁকে অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত অত্যন্ত কঠিন হত।
তারপরও কেন রোহিতকে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হল, সেটা ব্যাখ্যা করে আগরকর বলেছেন, ‘কখনও কখনও এটা দেখতে হয় যে ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে। দল হিসেবে কোথায় দাঁড়িয়ে আছেন। দলের স্বার্থে কোনটা ভালো, সেটা বিবেচনা করতে হয় – সেটা এখন হোক বা ছয় মাস পরে হোক। আমার মতে, এরকম সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাকে। আমি যেমনটা বললাম, এই মুহূর্তে একদিনের ক্রিকেটটা কঠিন।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘আপনি যদি এরকম সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে মোটামুটি আগেভাগে নিতে হবে, যাতে অন্যজনকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া যায় এবং অন্য একটি ফর্ম্যাটে নেতৃত্ব দেওয়ার আত্মবিশ্বাস জোগানো যায়। সেটাই মূল চিন্তাভাবনা ছিল। কিন্তু এরকম সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন।’ সেইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, অধিনায়ক গিলকে আরও বেশি সময় দিতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট।আগরকর জানিয়েছেন, যে খেলোয়াড়কে নতুন ক্যাপ্টেন করা হবে, তিনি যাতে নিজের মতো দল চালানোর জন্য পর্যাপ্ত সময় পান, সেটার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘তিনটি ফর্ম্যাটে তিনজন আলাদা অধিনায়ক আলাদা থাকার বিষয়টি অত্যন্ত জটিব। শুধুমাত্র নির্বাচকদের জন্য নয়, আরও বেশি করে কোচের ক্ষেত্রে বিষয়টা একেবারেই সহজ নয়। তিনজন আলাদা-আলাদা ব্যক্তির সঙ্গে পরিকল্পনায় বসা সহজ নয়।’

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, ক্রিকেটীয় দিক থেকে বিবেচনা করলে হয়তো এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে গিলকে অধিনায়ক করার সিদ্ধান্তটা বেশি বাস্তবসম্মত। কারণ ২০২৭ সালের বিশ্বকাপের আগে বেশি একদিনের ম্যাচ নেই। রোহিতেরও বয়স তখন ৪১ হয়ে যাবে। তাঁর ফিটনেস, ফর্ম কেমন থাকবে, সেটা নিয়ে একটা আশঙ্কাই থেকে যায়। তাই মারাত্মক কঠিন হলেও রোহিতকে ক্যাপ্টেন্সি থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত নিলেন আগরকররা।