US Trade Representative on India।রাশিয়ার তেল থেকে দূরে সরছে ভারত

Spread the love

মস্কোর সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য বন্ধে ভারতকে চাপ দেওয়ার জন্য শুল্ককে হাতিয়ার করেছিলেন মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরই মাঝে ভারত এবং আমেরিকার বাণিজ্য আলোচনাও প্রায় ভেস্তে যেতে বসেছিল। তবে ফের দুই পক্ষই বাণিজ্য আলোচনা শুরু করেছে। এরই মাঝে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রির দাবি করেছেন যে ভারত ইতিমধ্যে রাশিয়ার তেল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

নিউ ইয়র্কের ইকোনমিক ক্লাবে গ্রিয়ার বলেন, ‘ভারতীয়রা বাস্তববাদী এবং আমি মনে করি তারা ইতিমধ্যে রাশিয়ার তেল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘ভারত একটি সার্বভৌম দেশ। তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করে। আমরা অন্য দেশের সাথে তাদের সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি না।’ সাংবাদিক মারিয়া বার্টিরোমোর সাথে কথোপকথনে গ্রিয়ার বলেন, ভারত ইতিমধ্যে রাশিয়ার তেল থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, একদিন আগেই রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য ভারত ও চিনকে চাপ দেওয়ার পদক্ষেপ অর্থনৈতিকভাবে হিতে বিপরীত হতে পারে। পুতিন আরও বলেছিলেন, রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ করলে ভারতের ক্ষতি হবে।

ভারতের সঙ্গে জ্বালানি বাণিজ্য প্রসঙ্গে পুতিন বলেছিবেন, ‘ভারত যদি আমাদের জ্বালানি সরবরাহ প্রত্যাখ্যান করে, তাহলে তাদের ক্ষতি হবে। আমাকে বিশ্বাস করুন, ভারতের মতো দেশের মানুষ অবশ্যই দেখবে যে তাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। তারা কারও সামনে মাথা নত করবে না, কোনও অপমান সহ্য করবে না।’

উল্লেখ্য, ট্রাম্প প্রশাসন ভারতের উপর মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল, যার অর্ধেক ছিল রাশিয়ার সাথে তেল বাণিজ্য অব্যাহত রাখার ‘শাস্তি’। আমেরিকার অভিযোগ ছিল, রাশিয়া থেকে তেল কিনে ইউক্রেন যুদ্ধে পুতিনের পকেটে টাকা ভরছে ভারত। হোয়াইট হাউজের তরফে জানানো হয়েছে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাতের অবসান ঘটাতেই এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। অতিরিক্ত শুল্কগুলি ২৭ অগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মোদীর জন্মদিনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোন করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও এরপর ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনার প্রশংসা করে একাধিকবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *