লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ২

Spread the love

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। হামলায় অন্তত দুইজন নিহত এবং প্রায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া সিরিয়া ও লেবানন সীমান্তের চারটি বর্ডার ক্রসিংয়েও বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরাইল। ক্রসিংগুলো লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ব্যবহার করছিল বলে দাবি তেল আবিবের।

২০২৪ সালে নভেম্বরে লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে প্রায় প্রতিদিনই লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি বাহিনী। এসব হামলায় এখন পর্যন্ত ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তত ১২৭ জনই বেসামরিক তথা নিরস্ত্র। তারই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় সময় বুধবার (২১ জানুয়ারি) সবশেষ হামলাটি চালানো।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আবারও ইসরাইল লেবাননের ঘন বসতিপূর্ণ গ্রামগুলোতে পরিকল্পিত আগ্রাসন শুরু করেছে। তারা সরাসরি নাগরিকদের টার্গেট করছে বারবার একই ধরণের আচরণ করে ইসরাইল মূলত আরেকটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে হস্তক্ষেপ না করার অঙ্গিকারই ভঙ্গ করছে।’

এদিকে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, সিরিয়া সীমান্তে কানারিত, আল-খারায়েব, আল-আনসার, কফুর ও জারজুহসহ বেশ কয়েকটি গ্রাম ও শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল।লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দক্ষিণ লেবাননের কানারিত এলাকায় ইসরাইলি বিমান হামলায় ১৯ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া জাহরানি ও বাজুরি শহরে দুটি গাড়ি লক্ষ্য করে চালানো হামলায় একজন করে নিহত হয়েছে।

ইসরাইলি সেনাবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছে, ‘সীমান্ত ক্রসিংগুলোকে হিজবুল্লাহ’র অস্ত্র পরিবহন রুট হিসেবে লক্ষ্য করা হয়েছে এবং সিদনের কাছে একজন হিজবুল্লাহর প্রধান অস্ত্র চোরকে নিহত করা হয়েছে।’

এই হামলাগুলোকে লেবাননের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন অভিহিত করে লেবাননের সেনাবাহিনী বলেছে, এই হামলাগুলো ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মোতাবেক হিজবুল্লাহকে অস্ত্র ত্যাগে বাধ্য করার প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করছে। তবে হিজবুল্লাহ বারবার ইসরাইলি হামলার মধ্যেও অস্ত্র ত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *