সচল হলো গাজার বেকারি! দিনে তৈরি হচ্ছে ৩ লাখ রুটি

Spread the love

গাজার দেইর আল-বালাহ শহরে সচল হয়ে উঠেছে একটি বেকারি। জাতিসংঘের সহায়তায় চালু হওয়া বেকারিটি প্রতিদিন তৈরি করছে প্রায় তিন লাখ রুটি। এতে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় ক্ষুধার্ত গাজাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরছে।গাজার দেইর আল-বালাহ’র ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বেকারিতে দিন-রাত চলছে রুটি বানানো। গরম রুটির ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ছে আশপাশে। 

জাতিসংঘের মানবিক ত্রাণ দফতরের ফুটেজে দেখা গেছে, শ্রমিকদের নিরবচ্ছিন্ন কাজ আর লাইন ধরে অপেক্ষা করছে মানুষ। আন্তর্জাতিক ত্রাণ পৌঁছানোর পর প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ রুটি উৎপাদনের সক্ষমতা ফিরে পেয়েছে বেকারিটি।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার পরিদর্শনে গিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতি টিকে থাকলে দ্রুত পুনর্গঠন ও খাদ্য উৎপাদন সম্ভব। এমন আরও ৩০টি বেকারি চালুর লক্ষ্য আছে জাতিসংঘের, যাতে ক্ষুধা ও অপুষ্টি মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম দীর্ঘস্থায়ী হয়। 

তবে উত্তর গাজায় এখনো ত্রাণ পৌঁছাতে হিমশিম খাচ্ছে জাতিসংঘ। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, বন্ধ রুট আর অব্যাহত অবরোধে দুর্ভিক্ষপীড়িত এলাকাগুলোতে খাদ্য সরবরাহ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এতে লাখো মানুষ দিন কাটাচ্ছে অনাহারে। 

যুদ্ধবিরতির পরও গড়ে প্রতিদিন মাত্র ৫৬০ মেট্রিক টন খাদ্য গাজায় প্রবেশ করছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম।

ফ্লেচারের ভাষ্য, গাজা সিটিতে দুর্ভিক্ষ রোধে হাজার হাজার ত্রাণবাহী যান প্রতি সপ্তাহে প্রবেশের দরকার। তবু দেইর আল-বালাহর এই বেকারিটি এখন একটি আশার প্রতীক। যেখানে ধ্বংসস্তূপের শহরে ফিরছে জীবন আর পুনর্গঠনের সম্ভাবনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *