Paran Bandopadhyay: খুব সম্প্রতি স্টার জলসায় শুরু হয়েছে ‘সংসারের সংকীর্তন’। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন মানালি দে এবং সব্যসাচী চৌধুরী। মানালি দে যে চরিত্রে অভিনয় করছেন সেই চরিত্রের শ্বশুরমশাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন শুভাশিস মুখোপাধ্যায়। ধারাবাহিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়।
পরান বন্দ্যোপাধ্যায় বড় পর্দার অভিনেতা হলেও এর আগেও তিনি একাধিক ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। ‘বয়েই গেল’, ‘সংসার সুখের হয় রমনীর গুনে’ সহ একাধিক ধারাবাহিককে অভিনয় করেছেন তিনি। তবে এবার ‘সংসারের সংকীর্তন’ ধারাবাহিককে অভিনয় করার আগে পরিচালককে তিনি বেঁধে দিয়েছেন একটি শর্তে।
ধারাবাহিকের অভিনয় করার আগেই প্রবীণ অভিনেতা জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ৬ ঘন্টার বেশি কাজ করতে পারবেন না। যথেষ্ট বয়স হয়েছে তাঁর, খুব স্বাভাবিকভাবেই শারীরিকভাবে আগের মতো তিনি বেশিক্ষণ কাজ করতে পারেন না। অন্যদিকে বয়সের কারণে দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে, তাই তিনি আগেভাগেই জানিয়ে দিয়েছেন যে ৬ ঘন্টার বেশি কাজ করতে পারবেন না তিনি।
তবে অভিনেতা জানিয়েছেন, ধারাবাহিকের শ্যুটিং এমনভাবেই করা হচ্ছে যাতে ৬ ঘণ্টার বেশি কাজ না করতে হয় পরান বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু এই ক্ষেত্রে আরও একটি প্রশ্ন ওঠে সেটি হল এত বয়স হয়ে যাওয়ার পর কেন ধারাবাহিককে অভিনয় করতে রাজি হলেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়?
যেহেতু ধারাবাহিক মানে একটানা অনেক দিনের কাজ, তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই একটা বয়সের পর অনেকেই ধারাবাহিকের অভিনয় করতে চান না। কিন্তু এই ক্ষেত্রে পরান বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজি হওয়ার পেছনে অন্য একটি কারণ আছে।
ধারাবাহিক রাজি হওয়ার প্রসঙ্গে আনন্দবাজার ডটকমকে অভিনেতা জানান, এই প্রযোজনা সংস্থার অধীনে তিনি আরও দুটি কাজ করেছেন। ‘কীর্তন’ এবং ‘কীর্তনের পর কীর্তন’, এই দুটি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। এই দুটি সিনেমাই চর্চায় ছিল এবং দর্শকদের ভালোবাসা অর্জন করেছিল।

অভিনেতা আরও জানান, সিনেমা দুটি দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার পরেই এই সিনেমার গল্প নিয়ে ধারাবাহিক তৈরির কথা চিন্তাভাবনা করেছিল প্রযোজনা সংস্থা। তখনই পরান বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁরা বলেছিলেন ধারাবাহিকে অভিনয় করার জন্য। অভিনেতা ‘না’ করতে পারেননি। তবে এই একটা শর্তের বিনিময়েই তিনি রাজি হয়েছেন অভিনয় করতে।