মিলন হবে কতদিনের প্রোমো আসতে না আসতেই ফের নয়া ধামাকা। এবার প্রকাশ্যে এল স্টার জলসার আরও এক আসন্ন মেগা ‘প্রফসের বিদ্যা ব্যানার্জি’র প্রথম ঝলক। যে মেগা দিয়ে ছোটপর্দায় ফিরছেন স্বস্তিকা দত্ত।ছোটপর্দার পরিচিত মুখ স্বস্তিকা। তাঁর শেষ মেগা ছিল জি বাংলার তোমার খোলা হওয়া, যা শেষ হয় ২০২২-এর ডিসেম্বরে। অর্থাৎ প্রায় তিন বছরের ব্যাবধানে আবারও টেলিভিশনের পর্দায় নায়িকা। বিদ্যা ব্যানার্জির প্রথম প্রোমোতেই চেনা আন্দাজে পাওয়া গেল ব্লুজের নায়িকাকে।
এমনিতে শান্ত-শিষ্ট প্রফেসর বিদ্যা, কিন্তু মেয়েদের উপর কু-নজর দেয় যারা, তাদের উচিত শিক্ষা দিতে জানে সে। সরস্বতী পুজোর প্রেক্ষাপট, সেখানেই একটি মেয়ের সঙ্গে অভব্য আচরণ করছিল একদল ছেলে। যাদের মাথা গীতা এলএলবি খ্যাত কৃপান, মানে অভিনেতা সৌমক বসু। চণ্ডীরূপে সেখানে হাজির প্রফেসর বিদ্যা। রীতিমতো অ্যানাটমির ক্লাস নিল সে। জানাল, মেয়েটির পেটের যে অংশে হাত দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিল কৃপান (এই সিরিয়ালে তাঁর চরিত্রের নাম এখনও অজানা), তার ভিতরে রয়েছে ইউটেরাস (জরায়ু), যার ভিতরে ন-মাস লালন করার পর জন্ম হয়েছে তার।
প্রফেসর বিদ্যাকে ‘দিদি’ বলে সম্বোধন করে সে, বোঝাই যায় দুজনে ভালোভাবেই পরস্পরকে চেনে। চড়় খাওয়ার পর পালটা জন্ম নিয়ে খোঁটা শুনতে হয় বিদ্যাকে। তাতেও দমে যায়নি সে। পালটা আরেকটা থাপ্পড় কষায় ‘ভাই’-এর গালে। সঙ্গে ঘোষণা, শুধু বীণা-পুস্তক নয়, মাঝেমাঝে বেত তুলে নিতে হয় শিক্ষা দেওয়ার জন্য।
এই প্রোমো দেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় উপচে পড়ছে মন্তব্য। একজন লেখেন, ‘এখানেও কৃপান থাপ্পড় খেতে চলে এসেছে’। আরেকজন লেখেন, ‘ছিঃ গীতা কিছু কৃপাণ কে শিখাতে পারল না,, এখনো কৃপাণ অভদ্র রয়ে গেলো’। অপর এক নেটিজেন লেখেন, ‘ব্লুজের সিরিয়াল মানেই প্রথম প্রোমোতে মারামারি’। অন্য এক ভক্ত লেখেন, ‘জগদ্বাত্রী আর গীতাকে মিলিয়ে দিলেই রেডি বিদ্য়া ব্যানার্জি’।

স্বস্তিকা একটা সময় ছোটপর্দায় কাজে ফেরার ব্যাপারে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন, তবে নায়িকা জানিয়েছেন, এই সিরিয়ালের কনসেপ্ট শোনবার পর না বলার সুযোগ ছিল না। সিরিয়ালে বিদ্যার নায়ক কে হবেন, তা এখন জানা যায়নি। তবে বড় চমকের অপেক্ষায় ভক্তরা।