হামাস ইসরাইলের কাছে আরও চার জিম্মির মৃতদেহ হস্তান্তর করেছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) মরদেহগুলো হস্তান্তর করে হামাস।স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে রেড ক্রস কফিনে দেহাবশেষ উদ্ধার করে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে।
হামাস ২৮ জন নিহত জিম্মির মৃতদেহ ফেরত না দেয়া পর্যন্ত গাজায় ত্রাণ সরবরাহ সীমিত করার ইসরাইলের হুমকির পর এই স্থানান্তর করা হলো।
সোমবার ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী ২০ জন জীবিত এবং চারজন মৃত জিম্মিকে ফেরত দিয়েছে।
গত সপ্তাহে ইসরাইল-হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এই চুক্তির অধীনে হামাসের কাছে থাকা নিহত জিম্মিদের দেহাবশেষ হস্তান্তর করতে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে ইসরাইল। এজন্য হামাসকে শাস্তি দিতে গাজায় মানবিক ত্রাণ ট্রাকের সংখ্যা অর্ধেক কমিয়ে আনার ঘোষণার পর মৃতদেহগুলো ফিরিয়ে দিলো হামাস।
অন্যদিকে, রেড ক্রস এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরাইলে আটক ৪৫ জন ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ মঙ্গলবার গাজায় ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।
এর আগে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সতর্ক করে বলেছেন, যেকোনো বিলম্ব বা ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া চুক্তির গুরুতর লঙ্ঘন হিসাবে বিবেচিত হবে এবং সেই অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, হামাসকে চুক্তির অংশ পূরণ করতে হবে এবং সমস্ত জিম্মিদের তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার এবং যথাযথ সমাধিস্থলে দাফনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

বিবিসি জানায়, যদিও সমস্ত জীবিত জিম্মিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে, হামাস এখনও তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে পারেনি এমন ২০ জন জিম্মির দেহাবশেষ নিয়ে হামাস এবং ইসরাইলি সরকারের উপর চাপ বাড়ছে। ফিলিস্তিনিরা ক্রমশ উদ্বিগ্ন যে, হামাসের মৃতদেহ ফেরত দিতে বিলম্ব যুদ্ধবিরতির ভবিষ্যতে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
তবে হামাস বলেছে, মৃত জিম্মিদের দেহাবশেষ খুঁজে পেতে তাদের অসুবিধা হচ্ছে।
এদিকে, হামাস যোদ্ধারা গাজায় নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে রাস্তায় শত শত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে এবং ইসরাইলের সাথে সহযোগিতার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।