উজবেকিস্তানকে হারিয়ে ২১ বছর পরে প্রথমবার এএফসি এশিয়ান কাপের টিকিট পেল ভারতের অনূর্ধ্ব-১৭ মহিলা দল। শুক্রবার ০-১ গোলে পিছিয়ে পড়েছিল টিম ইন্ডিয়া। সেখান থেকে থান্ডামণি বাস্কে (৫৫ মিনিট) এবং অনুষ্কা কুমারির ৬৬ মিনিট) গোলে ২-১ গোলে জিতে চূড়ান্ত পর্বের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলে ভারতের যুব দল। দিদিরা যে নজির গড়েছেন, সেই ধারা অব্যাহত রেখে অনুষ্কারাও এশিয়ার মঞ্চে জায়গা করে নিলেন। এর আগে ২৩ বছরে প্রথমবার এএফসি এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়েছে ভারতের সিনিয়র মহিলা দল। ২০ বছরে প্রথমবার অনূর্ধ্ব-২০ দল মহিলা দল এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়েছে।
আর মেয়েরা যখন এশিয়ার মঞ্চ কাঁপানোর অপেক্ষায় আছেন, সেখানে কোটি-কোটি পাওয়া ভারতের সিনিয়র পুরুষ দলের ফুটবলাররা রীতিমতো ডুবিয়েছেন। ২০২৭ সালের এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা-অর্জন পর্বে বাংলাদেশের মতো দলকে হারাতে পারেননি। এমনকী সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধেও হেরে গিয়েছে ভারতীয় সিনিয়র পুরুষ দল। শেষ হয়ে গিয়েছে এএফসি এশিয়ান কাপের স্বপ্ন। একেবারে তলানিতে নেমে গিয়েছে ভারতীয় পুরুষ দল।
দিনকয়েক আগেই সেই পরিস্থিতির মুখে পড়েছে সিনিয়র পুরুষ ভারতীয় দল। কারণ মঙ্গলবার মারগাঁওয়ে সিঙ্গাপুরের কাছে ফিরতি লেগের হোম ম্যাচে ১-২ গোলে হেরে ভারতীয় ফুটবল দলের এএফশি এশিয়ান কাপ ২০২৭-এ খেলার আশা শেষ হয়ে যায়। অ্যাওয়ে ম্যাচে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পরে গ্রুপ সি’তে নিজেদের ক্ষীণ আশা বাঁচিয়ে রাখতে খালিদ জামিলের দলের একটি জয় অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল।

কিন্তু তারা লিড ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়। চারটি দলের গ্রুপে ভারত চারটি ম্যাচে দুই পয়েন্ট নিয়ে শেষে ছিল। লালিয়ানজুয়ালা ছাংতের একটি দুর্দান্ত বাঁ পায়ের শটে ম্যাচের ১৪ মিনিটে ব্লু টাইগার্সরা এগিয়ে গিয়ে ইতিবাচকভাবে শুরু করেছিলেন। কিন্তু তারপরে যা ঘটেছিল, তা ছিল সুযোগ নষ্ট করা এবং ‘যদি-কিন্তু’-র একই চিত্রনাট্য। প্রথমার্ধে ভারত স্পষ্টভাবে বেশি দাপুটে দল ছিল। কিন্তু আয়োজকরা তাদের লিড বাড়ানোর এবং সফরকারীদের উপর আরও চাপ সৃষ্টি করার একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করে। প্রথমার্ধের শেষমুহূর্তে সিঙ্গাপুর সমতা ফেরায়, যা ম্যাচের রঙ বদলে দেয়।