Agnimitra on Behala waterlogging: বর্ষায় সময় যেন শুনতে না হয় যে বেহালায় জল জমেছে; সেটার জন্য যা প্রয়োজনীয়, তাই করতে হবে – কড়া ভাষায় সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে হুঁশিয়ারি দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বর্ষার আগে সোমবার পূজালিতে পরিদর্শনে আসেন তিনি। সেখানে তিনি জানতে পারেন যে পাম্প হাউস না থাকায় জল বের করার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়। পাম্প হাউস তৈরির জন্য অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। পুরো বিষয়টি থমকে আছে। সেই পরিস্থিতিতে সরাসরি এক আধিকারিককে ফোন করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।
কড়া বার্তা অগ্নিমিত্রার
তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বর্ষা (যদিও সরকারিভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বর্ষায় আগমনের বিষয়ে আপাতত কিছু জানানো হয়নি) আসার আগে হাতে বেশি সময় নেই। কিন্তু এই সময়ের মধ্যেই দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে, যাতে বর্ষার সময় বেহালা-সহ দক্ষিণ কলকাতায় জল জমে না যায়। যে বেহালা জল জমার সঙ্গে সমর্থক হয়ে উঠেছে।
যা করতে হয়, করুন, সরাসরি বার্তা অগ্নিমিত্রার
আর সেই পরিস্থিতি থেকে বেহালাবাসী এবং দক্ষিণ কলকাতার মানুষকে মুক্তি দিতে ওই আধিকারিককে ফোনে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, ‘হাতে আর ১০ দিন মতো আছে। যদি ধরে নিই যে ১৫-২০ জুন দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসবে, সেটার ভিত্তিতে যা যা করার দরকার, সেটার দায়িত্ব সেচ দফতরকেই নিতে হবে। এখনও যেহেতু পাম্প হাউস হয়নি, তাতে আপনার প্রতিনিধিকে বলে দিন যে যদি পাম্প বা অন্য কিছু কেনার দরকার হয়, (কিনে নিন)। তাতে পাঁচটা দরকার হলে (পাঁচটা কিনে নিন)। যেটা দরকার, সেটার বন্দোবস্ত করে এই পুরো জল যাতে গঙ্গায় (যায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে)।’
‘বেহালা, তারাতলা-সহ দক্ষিণ কলকাতায় যেন জল না জমে’
সেইসঙ্গে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, ‘তখন যেন আমায় না শুনতে হয়, বেহালায় জল জমেছে। আমি সেটা শুনব না। সেজন্য যদি ৫০টি মোটর লাগাতে হয়, ৫০টি মোটর লাগান। যদি দুটি মোটর লাগাতে হয়, দুটি মোটর লাগান। যেটা করার দরকার, সেটা করুন। কিন্তু বেহালা, তারাতলা-সহ দক্ষিণ কলকাতায় যেন জল না জমে।’
