Salman Khan: কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবির প্রথম ঝলক প্রকাশ্যে এসেছিল, যেখানে হুবহু সলমন খানের মতো কাউকে দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। পরে জানা যায়, দুই দশক আগে ভাইজানের কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার ঘটনার আদলে তৈরি করা হচ্ছে একটি ছবি। ইতিমধ্যেই ছবির পোস্টার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
‘কালা হিরণ’ ছবির পোস্টার শেয়ার করার সময় নির্মাতারা জানিয়েছিলেন, আগামী ২০ জুন ছবির টিজার আসবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই সিনেমাটি নিয়ে জনসাধারণের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ছবির টিজার আসার আগেই ঘটে গেল বিপত্তি। আইনি জটে জড়িয়ে পড়ল সিনেমাটি।জানা গিয়েছে, সলমন খানের আইনজীবির পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজককে। আপাতত সিনেমাটির মুক্তি স্থগিত করতে এবং সিনেমাটি ঘিরে প্রচারমূলক কনটেন্ট সমাজ মাধ্যম থেকে সরিয়ে ফেলার জন্যই এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।তবে এখানেই শেষ নয়। সিনেমার প্রযোজক ভারত শ্রীনাথ এবং পরিচালককে নিঃস্বার্থভাবে লিখিত ক্ষমাপ্রার্থনা করতে হবে। ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি এই দাবি না মানা হয় সেক্ষেত্রে আগামী সময়ে দেওয়ানি এবং ফৌজদারী মামলা দায়ের করা হবে ভাইজানের তরফ থেকে।
ভাইজানের আইনজীবির পক্ষ থেকে যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে তার ছবি পোস্ট করে সিনেমার প্রযোজক অমিত জানি একটি বিবৃতিতে লিখেছেন, আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এই নোটিশগুলি পাঠিয়ে তারকার কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করা হচ্ছে। উনি যেমন ভয় দেখান, তেমন আমিও ভয় পাই না। উনি যদি মনে করেন যে আমি শেষ হয়ে গিয়েছি তাহলে আমি জানিয়ে রাখি আমি এখনও শেষ হয়ে যায়নি।
অমিত জানি যে ছবি শেয়ার করেছেন সেখান থেকে স্পষ্ট, গত ২৪ এপ্রিল এই আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছিল সিনেমার কাস্টিং ডিরেক্টর অক্ষয় পান্ডেকে। ভাইজানের আইনজীবীর নোটিশে স্পষ্টভাবে লেখা, সিনেমায় সলমন খানের নাম, বা অন্য কোনও তথ্য ব্যবহার করার আগে ভাইজানের থেকে অনুমতি নেওয়া হয়নি।
ওই আইনি নোটিশে আরও লেখা, মামলাটি এখনও রাজস্থান হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় যদি ওই ঘটনাটি নিয়ে একটি সিনেমা তৈরি হয় সেক্ষেত্রে সলমন খানের ইমেজে দাগ লেগে যেতে পারে। আগামী দিনে এই সিনেমাটি যদি মুক্তি পায় সে ক্ষেত্রে মামলার রায় অভিনেতার বিপক্ষেও চলে যেতে পারে।
