Arab World on Iran। ইরান ঘিরে সমীকরণ পাল্টাচ্ছে আরব বিশ্বে?

Spread the love

ইরানকে ঘিরে ক্রমেই পাল্টাচ্ছে আরব বিশ্বের সমীকরণ! এর আগে, শনিবার ইরানের ওপর আছড়ে পড়ে ইজরায়েল ও আমেরিকার মিসাইল। ঘটনায় নিহত হন ইরানের সুপ্রিম নেতা আলি খামেনি। এদিকে, ইরানে মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলার পর পরই দুবাই, রিয়াধ, আবুধাবিতে হামলা চালাতে দেখা যায় পাকিস্তানের প্রতিবেশী দেশ ইরানকে। ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় দুবাই, সৌদির সবচেয়ে বড় তেল সংশোধনাগার আরমাকোর মতো বহু জায়গা। এরপর এদিন যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে আরব বিশ্বের একাধিক দেশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকার কর্তৃক প্রকাশিত এই বিবৃতিটি এই অঞ্চলের একাধিক দেশকে লক্ষ্য করে ইরানি হামলার পর আসে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে,’ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত বাহরাইন, ইরাক – ইরাকি কুর্দিস্তান অঞ্চল – জর্ডান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ সমগ্র অঞ্চল জুড়ে সার্বভৌম অঞ্চলের বিরুদ্ধে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নির্বিচারে এবং বেপরোয়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানায়। এই অন্যায্য হামলাগুলি সার্বভৌম ভূখণ্ড, বিপন্ন বেসামরিক জনসংখ্যা এবং ক্ষতিগ্রস্ত বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে।’ এর আগে, আমিরশাহিতে হামলার প্রতিবাদে সরব হয় দিল্লিও। একই সুর ছিল তারেক রহমানের বাংলাদেশেরও। এদিকে, আরব বিশ্বের ওই দেশগুলি ইরান সম্পর্কে তার বিবৃতিতে জানায়,’ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কর্মকাণ্ড একটি বিপজ্জনক বৃদ্ধির প্রতিনিধিত্ব করে যা একাধিক রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ। অসামরিক নাগরিক এবং যুদ্ধে জড়িত নয় এমন দেশগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা বেপরোয়া এবং অস্থিতিশীল আচরণ।’

উল্লেখ্য, ইরানে মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসাবে, ইরান পাল্টা আরব বিশ্বের একাধিক দেশে হামলা চালায়। যারফলে দুবাই, রিয়াধে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ হয়। উঠে আসছে সেখানে হতাহতের খবরও। ইতিমধ্যেই দুই দিনের যুদ্ধে শতাধিক মৃত্যুর দুঃসংবাদ উঠে আসছে। প্রশ্ন উঠছে, আমিরশাহি, সৌদি, কুয়েতে হামলার জেরে কি ইরানের মতো মুসলিম প্রধান দেশ ঘিরে আরব বিশ্বের সমীকরণ পাল্টে যাচ্ছে? এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে আরব বিশ্বের দেশগুলির বিবৃতি সেই আঙিনায় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে, এতে কি ক্রমেই কোণঠাসা হচ্ছে ইরান?

এদিকে, একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, সৌদির যুবরাজ আমেরিকাকে উস্কানি দেওয়াতেই এই হামলা। সেই সমস্ত রিপোর্টের দাবি খারিজ করেছে রিয়াধ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *