Baduria TMC Leader Latest Update: পাটশিল্পে তাহলে সুদিন চলে এল? পাটখেতের মাটি খুঁড়ে বাদুড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের নগদ প্রায় ২.৩ কোটি টাকা উদ্ধার হওয়ার পরে অনেকেই সেই কথাটা বলছেন। সত্যিই পাটশিল্পের ‘সুদিন’ ফিরবে কিনা, সেটা প্রশ্নাতীত হলেও দীপঙ্কর-যুগে বাদুড়িয়ার মানুষের জীবনে যে ভয়াবহ ‘দুর্দিন’ নেমে এসেছিল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই বলে অভিযোগ উঠল। অভিযোগ উঠেছে, যে দীপঙ্কর একটা সময় পেট চালানোর জন্য যা কাজ (রাজমিস্ত্রির সহকারী, দিনমজুরি থেকে গাড়ি চালানো – যে কোনও কাজ) পেতেন, সেটাই করতেন; সেই তিনিই দুর্নীতির ‘শিল্পী’ হয়ে উঠেছিলেন। দুর্নীতি বা টাকা তোলা ছাড়া তিনি নাকি কিছু বুঝতেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।
বাড়িপিছু ৪০,০০০ টাকার ‘জল-খাবার’ নিতেন দীপঙ্কর, উঠেছে অভিযোগ
একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, বাদুড়িয়ার বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন যে এমন কোনও সরকারি প্রকল্প ছিল না, যেটার জন্য টাকা নিতেন না দীপঙ্কর। সরকারি আবাসন প্রকল্পে বাড়িপিছু ৪০,০০০ টাকা ঘুষ দিতে হত। কখনও ঘুষের পরিমাণ হত ১০,০০০ টাকা, ২০,০০০ টাকা। কিন্তু ‘জল-খাবার’ দিতেই হত। তবে তাতেও নিশ্চিত ছিল না যে বাড়ি মিলবে।
ভুয়ো চেকবুক তৈরি করে মহিলা টাকা হাপিস করেছিলেন?
সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন অনুযায়ী, কেউ-কেউ অভিযোগ করেছেন যে টাকা নিলেও সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেননি তৃণমূল নেতা। এক মহিলা তো অভিযোগ করেছেন যে তাঁর থেকে আধার কার্ড হাতিয়ে নিয়েছিলেন। তারপর ভুয়ো চেকবুক তৈরি করে ব্যাঙ্কে থাকা সমস্ত টাকা তুলে নিয়েছিলেন। সেইসব বিষয় নিয়ে অভিযোগ করলে খুনের হুমকি দেওয়া হত বলে দাবি করেছেন বাদুড়িয়ার মানুষজন।

পাকাবাড়ি থাকলেও আবাসের বাড়ি পাইয়ে দিতেন দীপঙ্কর, উঠল অভিযোগ
আবার সংবাদমাধ্যম জি ২৪ ঘণ্টার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগ উঠেছে যে নিজের ঘনিষ্ঠদের বাড়ি পাইয়ে দিতেন দীপঙ্কর। এমনকী পাকাবাড়ি থাকলেও দীপঙ্করের সুনজরে থাকলেই আবাসের টাকা মিলত বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে, যাঁদের আসলে আবাসের বাড়ি পাওয়ার কথা ছিল, তাঁরা সুবিধা পেতেন না।