এক মাসে বালোচিস্তানে চতুর্থ হামলা! বিএলএ ( বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি)র নয়া হামলায় নিহত হয়েছেন ৪৫ জন পাকিস্তানি সেনা জওয়ান। বালোচ বিদ্রোহীদের এই হামলা মুস্তং জেলার খডকোচা এলাকায় ঘটেছে। এই হামলা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মুখ খোলেনি পাকিস্তানি সেনা। তবে নিউজ ১৮র খবর অনুযায়ী, সেখানে হাসপাতালগুলি রয়েছে অ্যালার্টে। এছাড়াও কোয়েট্টা-করাচি হাইওয়েও ঘটনার জেরে স্তব্ধ, বলে খবর (এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া শেষ আপডেট অনুযায়ী)।
ফের একবার পাকিস্তানি সেনাকে টার্গেট করে বালোচ বিদ্রোহীদের হামলার খবর উঠে আসছে। মুস্তং জেলার খাডকোচে পাকিস্তানে সেনা জওয়ান ভর্তি বাস আসতেই তা বিস্ফোরণের শব্দে উড়ে যায়। ঘটনার জেরে পাকিস্তানের বহু সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। অনেকে আহত হয়েছেন বলে খবর। যদিও ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেনি পাকিস্তানি সেনা। ঘটনার দায় স্বীকার করেছে বিএলএ। তারা জানিয়েছে, বালোচ বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীর ফতেহ স্কোয়াড, এই হামলা চালিয়েছে।
এদিকে, বালোচ বিদ্রোহীদের এই হামলার পর থেকেই এলাকায় হাসপাতালগুলিতে ইমার্জেন্সি ঘোষিত হয়েছে বলে খবর। এলাকার হাসপাতালগুলি আপাতত চূড়ান্ত অ্যালার্টে রয়েছে। হতাহতের খবর আসতে শুরু করায়, আহতদের চিকিৎসার জন্য বালোচিস্তান সরকার কোয়েটার সিভিল হাসপাতাল, ঘাউস বখশ রাইসানি মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং আশেপাশের আরও কয়েকটি চিকিৎসা কেন্দ্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, অতর্কিত হামলার পর আটকে পড়া কর্মীদের উদ্ধার ও এলাকাটি নিরাপদ করতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী মাস্তুং-এ গানশিপ হেলিকপ্টার ও বিপুল অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করেছে।
বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাথমিক হামলার পর নিরাপত্তা বাহিনী যখন এলাকাটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছিল, তখন খাদকোচায় গভীর রাত পর্যন্ত তাদের সঙ্গে বিএলএ (BLA) যোদ্ধাদের সংঘর্ষ চলতে থাকে।

এই হামলার ফলে কোয়েট্টা-করাচি জাতীয় হাইওয়েতে (এন-২৫) যান চলাচলও ব্যাহত হয়। এটি পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ যা বালোচিস্তানকে সিন্ধ প্রদেশের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া এখনও আসেনি (এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত পাওয়া শেষ আপডেট অনুযায়ী)।