Bangladesh on Macca Pact Potential Risk: মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কোনও ঝুঁকি দেখছে না বলে দাবি করল ঢাকা। সরকারি সংবাদসংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রতিবেদন অনুযায়ী, রবিবার বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে মক্কা চুক্তিকে শেষপর্যন্ত যোগদান করলে ঢাকাকে যে সব ঝুঁকির মুখে পড়তে হতে পারে, সে ব্যাপারে কী ভাবছেন। সেই প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন দাবি করেন, বৈদেশিক নীতি এবং সুরক্ষার ক্ষেত্রে সামঞ্জস্য বজায় রেখে চলতে পারে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও রক্ষা করতে পারে ভারসাম্য। সেই পরিস্থিতিতে মক্কা প্যাক্টে যোগদানের ক্ষেত্রে কোনও ঝুঁকি দেখছেন না বলে দাবি করেন বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী।
‘আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখব’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো দেশকে বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার গতিপ্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অত্যন্ত সমন্বিত ও নমনীয় উপায়ে বিদেশনীতি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহযোগিতার বিষয়গুলি নিয়ে এগিয়ে চলতে হবে।’ সেইসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখব।’
মক্কা চুক্তি নিয়ে একই পথে বাংলাদেশের শাসক ও বিরোধী
আর তিনি এমন একটা সময় সেই মন্তব্য করেন, যখন পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ। শুধু বাংলাদেশের শাসক দল নয়, বিভিন্ন বিরোধী দলও সেই মক্কা চুক্তিতে ঢাকার যোগদানের পক্ষে সওয়াল করেছে।

চাপ তৈরির চেষ্টা জামায়াতের? ভারত কী বলল?
বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামির আমির বা প্রধান শফিকুর রহমান যেমন বলেছেন, ‘মক্কা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টা বাংলাদেশের সম্পূর্ণ নিজস্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়। দেশ ও জনগণের প্রয়োজন ও স্বার্থ বিবেচনায় বাংলাদেশ যদি কোনও সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তাতে অন্য কারও বিচলিত বা উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই।’
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, আসলে ঘুরিয়ে ভারতের উপরে চাপ তৈরির চেষ্টা করছেন জামায়াতের আমির। যদিও বাংলাদেশ যে মক্কা চুক্তিতে যোগদান দেবে, তা নিয়ে ভারত সেরকম কোনও মন্তব্য করেনি। নয়াদিল্লি শুধু বলেছে যে পুরো বিষয়টার উপরে নজর রাখা হচ্ছে।