তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বরানগর। ঘটনাটি ঘটে ১৩ এপ্রিল রাতে। এই পরিস্থিতিতে বরানগরে বিজেপির প্রার্থী সজল ঘোষ পুলিশ স্টেশনের বাইরে প্রতিবাদ প্রদর্শন করেন। অভিযোগ, প্রচার চালানোর সময় বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। এই আবহে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতারির দাবিতে প্রতিবাদ দেখায় গেরুয়া শিবির। সজল ঘোষ যখন থানার সামনে প্রতিবাদ দেখাচ্ছেন, সেই সময় রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল ফোন করেন তাঁকে। এই ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন মনোজ আগরওয়াল।
রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৩ এপ্রিল রাতে বরানগরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি একটি সভার আয়োজন করেছিল। সেই সভা শেষ হতে না হতেই নাকি সেখানে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা হাজির হয়। তাদের হাতে নাকি বন্দুক ছিল। তবে এই ঘটনায় কোনও গুলি চলেনি। যদিও বন্দুকের বাট দিয়ে নাকি বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। এতে গেরুয়া শিবিরের ৩-৪ জন কর্মী আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনায় নাম উঠে এসেছে অজয় গুপ্তার। এদিকে বিজেপির অভিযোগ, হামলার বিষয়ে পুলিশকে জানানো হলেও তারা নিষ্ক্রিয় ছিল।
সজল ঘোষের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশের সামনে এই মারধরের ঘটনা ঘটে। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন সজল ঘোষ। পরে সিইও মনোজ আগরওয়ালের সঙ্গে কথা হয় সজলের। এই কথোপকথন নিয়ে বিজেপি প্রার্থী জানান, মনোজ আগারওয়াল নাকি তাঁকে বলেন, পুলিশ নির্দেশ না দিলে কেন্দ্রীয় বাহিনী কিছু করতে পারেন না। তাই কোনও পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে সেই বিষয়েও খতিয়ে দেখা হবে। ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের কাছে বিজেপি এই ঘটনা নিয়ে লিখিত অভিযোগ জমা করবে বলেও জানান সজল ঘোষ।
