Bengal Industrial Projects Scope: রাজ্যের হাতে কত পরিমাণ জমি আছে? তা নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরির নির্দেশ দিলেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। সূত্রের খবর, রাজ্যের হাত কত পরিমাণ জমি পড়ে আছে, কত টাকায় সেই জমি শিল্পপতিদের দেওয়া যেতে পারে, কত জমি ফাঁকা পড়ে আছে, কত জমিতে জবরদখল হয়েছে, সেই সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করে এক সপ্তাহের মধ্যে ভূমি দফতরের আধিকারিকদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। আর সেই সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, কারণ রাজ্য দ্রুত নয়া শিল্পনীতি চূড়ান্ত করে ফেলতে চায়। সেই রেশ ধরে পশ্চিমবঙ্গে বৈদেশিক বিনিয়োগ টানতে একটি বিদেশি উপদেষ্টা সংস্থাকে নিযুক্ত করা যায় কিনা, তা নিয়েও রাজ্য সরকার ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছে বলে সূত্রের খবর। যদিও আপাতত চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
শিল্প টানতে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা চলছে
সবমিলিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস জমানার ‘কালো’ অধ্যায় কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগ টানতে মরিয়া বিজেপি সরকার। সেজন্য বাজেটে বিশেষভাবে ৫,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আলোচনাও চলছে সরকারের উচ্চপর্যায়ে। সূত্রের খবর, শিল্পপতিদের কী কী সুযোগ দেওয়া হবে, তাঁদের কী কী ছাড়ের সুযোগ দেওয়া হবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছি, দাবি শিল্পমন্ত্রীর
শিল্পমন্ত্রী বলেছেন, ‘শিল্প নিয়ে আমরা সবকিছু আলোচনা করেছি। নয়া শিল্পনীতি এবং নয়া ইনসেনটিভ নীতি তৈরি করতে এবং চূড়ান্ত করতে আমরা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছি। যা শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।’

বাংলায় আরও বিনিয়োগ ইন্ডিয়ান অয়েলের?
তারইমধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েলের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বৈঠক করেছেন। সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মূলত জ্বালানি সংক্রান্ত এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে তাঁদের কথা হয়েছে।সেই রেশ ধরে আলোচনায় উঠে এসেছে রাজ্যে নতুন করে বিনিয়োগের বিষয়টিও। পশ্চিমবঙ্গে ইন্ডিয়ান অয়েলের যে যে প্রকল্প রয়েছে, সেগুলি কীভাবে আরও দ্রুতগতিতে নিয়ে যাওয়া যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের তরফে দাবি করা হয়েছে।