Bengal Unaided Madrasas Inspection: রাজ্যের ১২টি জেলার অনুদানহীন মাদ্রাসার খুঁটিনাটি যাচাইয়ের নির্দেশ দিল শুভেন্দু অধিকারী সরকার। সংখ্যালঘু দফতর সূত্রে খবর, আগামী বুধবারের (১৫ জুলাই) মধ্যে ইনস্পেকশনের কাজ সেরে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেটার ভিত্তিতে আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে রিপোর্ট জমা করার ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছে রাজ্য সরকার। জেলাভিত্তিক কোন সরকারি দফতরকে কী কাজ করতে হবে, তাও চূড়ান্ত করে দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু দফতর সূত্রে খবর।
কী কী তথ্য সংগ্রহ করা হবে?
আর সেই মর্মে গত ৮ জুলাই সংখ্যালঘু দফতরের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে জানানো হয়েছে, সরকারের নীতি এবং নিয়মকানুন মেনে রাজ্যের অনুদানহীন মাদ্রাসাগুলি (স্বীকৃতি এবং অস্বীকৃত) চালানো হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করার জন্যই ইনস্পেকশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ওই মাদ্রাসাগুলিতে ঠিকমতো শিক্ষানীতি মেনে চলা হচ্ছে কিনা, কীভাবে সেগুলি কাজ করছে, সেইসব যাবতীয় বিষয় খুঁটিয়ে দেখা হবে। সর্বোপরি পড়ুয়াদের স্বার্থেই ইনস্পেকশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘু দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।
১) সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হল, সেই তথ্য জোগাড় করা হবে।
২) কোথা থেকে টাকা আসছে?
৩) কতজন পড়ুয়া আছে?
৪) শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর সংখ্যা কত?
৫) সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসা আবাসিক কিনা।
৬) কী কী কোর্স আছে?

৭) সরকারি নিয়ম মেনে কি চলছে?
কোন কোন জেলায় মাদ্রাসার ইনস্পেকশন হবে?
১) কোচবিহার
২) উত্তর দিনাজপুর
৩) মালদা
৪) মুর্শিদাবাদ
৫) বীরভূম
৬) নদিয়া
৭) পূর্ব মেদিনীপুর
৮) পশ্চিম মেদিনীপুর
৯) হাওড়া
১০) হুগলি
১১) দক্ষিণ ২৪ পরগনা
১২) উত্তর ২৪ পরগনা
সরেজমিনে মাদ্রাসার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হবে
এমনিতে বর্তমানে রাজ্যে স্বীকৃতিবিহীন মাদ্রাসা রয়েছে। এমন মাদ্রাসাও আছে, যেগুলি কোনও ব্যক্তি বা কোনও গোষ্ঠী বা কোনও বেসরকারি সংস্থা চালিয়ে থাকে। কিন্তু এরকম মাদ্রাসার সংখ্যা ঠিক কত, তা নিয়ে সরকারি কোনও হিসাব বা পরিসংখ্যান নেই। সেই পরিস্থিতিতে সশরীরে মাদ্রাসায় যাবেন আধিকারিকরা। সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন মাদ্রাসাগুলি। তারপর নির্দিষ্ট ফর্ম্যাটে রিপোর্ট জমা দেবেন বলে সংখ্যালঘু দফতর সূত্রে খবর।