বঙ্গ বজেপি-র দুঁদে নেতা দিলীপ ঘোষ। যদিও কয়েক বছর ধরে তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের পাশাপাশি, চর্চায় রয়েছে ব্যক্তিগত জীবনও। প্রায় প্রতি সকালেই স্ত্রী রিঙ্কুকে নিয়ে বের হন মর্নিং ওয়াকে। সেই সময় একপ্রকার তাঁকে ঘিরে থাকে বিজেপি কর্মী, অনুরাগীরা। স্বভাবে ঠোঁটকটা, অকপটে এমন কথা বলে দেন, যা নিয়ে চর্চায় মজে আট থেকে আশি। চলে চায়ে পা চর্চা! তবে আপাতত দিলীপ ঘোষ খবরে তাঁর ‘ঝালমুড়ি’ গানের কারণে।
সোমবার সকালেই চিনার পার্কের একটি রেকর্ডিং স্টুডিয়োতে গিয়ে গান রেকর্ড করেন দিলীপ। করেন ঝালমুড়ি নিয়ে গান রেকর্ড। ইতিমধ্যে তাঁর গান রেকর্ডিংয়ের ভিডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এমনকী, দিলীপের গানের দলার প্রশংসাও হচ্ছে বেশ।
‘আম আচারে টক মিলবে, অল্প দাও হে ভাই’, এবাবেই এগিয়েছে দিলীপের গান। শিল্পী লোকেশ গিরি ও তাঁর স্ত্রী রিমাশ্রীর লেখা ও সুর করা গানটি। বিজেপি নেতা অনুপম হাজরার ফেসবুক পেজ থেকে গানটি ভাইরাল হয়েছে। এর আগে ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের প্রচারে এসে ঝালমুড়ি খেয়ে ‘ঝাল’ লাগিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এবার পালা দিলীপের।
পুরুলিয়া সফরে মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়া চমকে দিয়েছিল গোটা দেশকে। ভোট প্রচারের মাঝেই সোজা ঢুকে পড়েন ফুটপাতের এক দোকানে। ঠোঙা থেকে হাতে ঢেলে নেন ঝালমুড়ি। আর তারপরই বেড়ে যায় এই চটপটে খাবারের জনপ্রিয়তা। বাংলার সুস্বাদু, সস্তা খাবার ঝালমুড়ি রাতারাতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে গোটা দেশে। এমনকী তারপর থেকে ঝালমুড়ি থাকছে বিজেপি-র যে কোনো মিটিংয়ে। আর সেটাকেই এবার গান বানালেন দিলীপ।বেশ অল্প বয়স থেকে আরএসএসএ-র সঙ্গে যুক্ত দিলীপ ঘোষ। ২০১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব হাতে নেন। তাঁর নেতৃত্বেই বাংলায় ধীরে ধীরে জাঁকিয়ে বসতে থাকে বিজেপি। ২০১৬ সালে তিনি খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৯ সালে মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ হন। ২০২৬-এর রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করে, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।২০২৫ সালের ১৮ এপ্রিল বিয়ে করেন দিলীপ ঘোষ। ৬০ বছর বয়সে সহকর্মী ও বিজেপি নেত্রী রিঙ্কু মজুমদারের গলায় দেন মালা। বিজেপি নেতার দাবি ছিল, মায়ের ইচ্ছাকে সম্মান জানাতে বিয়ে করেন তিনি। এরপর বউকে নিয়ে হানিমুনে গিয়েছিলেন আন্দামানে।
