FM Nirmala Sitharaman। আর্থিক চাপ স্বীকার করে 3F পরিকল্পনা প্রকাশ অর্থমন্ত্রীর

Spread the love

FM Nirmala Sitharaman: ‘সারের দাম অকল্পনীয় পর্যায় পৌঁছে গিয়েছে।’ এমনটাই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সঙ্কটের কথা মাথায় রেখেও অর্থমন্ত্রী সোমবার ফুয়েল বা জ্বালানি, ফর্টিলাইজার বা সার এবং ফরেক্স বা বৈদেশিক মুদ্রা – এই তিনটি বিষয়ের (3Fs) ওপর আরও করে গুরুত্ব দেওয়ার এবং বিশেষ মনোযোগ বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।

মুম্বইয়ে স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বা সিডবি-র ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে এসে পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির মাঝেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন দেশের অর্থনীতি নিয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক বার্তা দিয়েছেন ও জানিয়েছেন যে বিশ্বের নানা সঙ্কটের মধ্যেও বর্তমান ভারতের অর্থনীতি বেশ শক্তিশালী রয়েছে। এদিকে, এদিনই পেট্রল ও ডিজেলের দাম ফের বেড়েছে। সোমবার সকাল থেকে এই দুই জ্বালানিতে লিটার প্রতি আড়াই টাকার বেশি দাম বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার ফলে সৃষ্ট অনিশ্চয়তার জেরে,দুই সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে চতুর্থবারের মতো মূল্যবৃদ্ধি করতে হল নিত্য প্রয়োজনীয় এই দুই জ্বালানির। তেল আমদানির একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতার কারণে জ্বালানির দামে হু হু করে বেড়ে গিয়েছে। যেহেতু ভারতের তেল ও জ্বালানি চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই আমদানি করা হয়, তাই অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে নয়া দিল্লি অন্যতম।

এই প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অশোধিত তেল ও সারের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহের অনিশ্চয়তা দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তাঁর কথায়, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক আহ্বান ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’ হয়ে উঠেছে। ‘জ্বালানি, সার এবং বৈদেশিক মুদ্রা-এই তিনটি ‘এফ’-এর ওপর মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট কেবল একটি কূটনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিষয় নয়। এটি ব্যবসা-বাণিজ্য, এমএসএমই এবং সাধারণ নাগরিকদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’ সরকারের লক্ষ্য হল ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা প্রদান এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা বলেও তিনি জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বানের পর কিছু মানুষের তৈরি করা নেতিবাচক ও হতাশাজনক পরিবেশের তীব্র সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি সাফ জানান, দেশে অযথা ভয় ছড়ানোর কোনও সুযোগ নেই ও এই সময়ে জনগণের সরকারের উপর আস্থা রাখা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *