হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় উপনির্বাচনে লড়াই করতে গিয়ে মার খেয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই হিরো আলম ইউনুস জমানায় মনোনয়ন পত্র তুলে তা জমাই করতে পারলেন না। রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের পরে নাকি তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিতে পৌঁছান জেলাপ্রশাসকের অফিসে। তাই তাঁর মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া হয়নি। রিপোর্ট অনুযায়ী, আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসন থেকে নির্বাচনে লড়াই করার জন্যে মনোনয়নপত্র কিনেছিলেন। তিনি সেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে যান স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট নাগাদ। ততক্ষণে মনোনয়নপত্র জমার সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছিল।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয় ২৯ ডিসেম্বর স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায়। হিরো আলম জানান, তাঁর ফর্ম পূরণ করতে সময় লেগেছিল। এই আবহে তিনি দেরিতে পৌঁছান জেলাশাসকের অফিসে। তবে তখন আর মনোনয়নত্র জমা নেওয়া হয়নি। এর আগে ২৯ ডিসেম্বরই দুপুর ১২টা নাগাদ আমজনতা পার্টির হয়ে ফর্ম তুলেছিলেন হিরো আলম। সেই সময়ই নাকি জেলাশাসক তৌফিকুর রহমান তাঁকে জানিয়েছিলেন, ৫টার মধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে।
এর আগে ২০২৩ সালে ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান, বনানী, বারিধারা এবং ঢাকা সেনানিবাসের একাংশ) উপনির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন হিরো আলম। সেই উপনির্বাচনে ভোটের হার ছিল মাত্র ১১ শতাংশ। উৎসাহ বিহীন সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর কাছে হেরেছিলেন হিরো আলম। তিনি পেয়েছিলেন ৫৬০৯টি ভোট। নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়াই করা হিরো আলম সেবার হামলার শিকার হয়েছিলেন। সব মিলিয়ে নির্দল হিসেবে হিরো আলম এর আগে চারবার প্রার্থী হয়েছিলেন।আর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গত ২৮ ডিসেম্বর আমজনতা পার্টিতে যোগদান করেছিলেন হিরো আলম। এর একদিন পরই ছিল মনোনয়ন জমার শেষ দিন। তবে সেই দলের প্রার্থী হিসেবে আর ভোটে লড়াই করা হচ্ছে না তাঁর। এর আগে হিরো আলমকে দলে নিয়ে আমজনতা পার্টির প্রধান তারেক রহমান বলেছিলেন, ‘হিরো আলম ভাইকে নিয়ে অনেক কথা হয়। তিনি হাস্যকর ভিডিয়ো বানান। অন্য সুরে গান করেন।’ সেই হিরো আলম দলের হয়ে মনোনয়ন জমা দিতে সময় মতো জেলাশাসকের অফিসে পৌঁছাতে পারেননি।
