India hits back Pakistan। পাকিস্তানি মন্ত্রীর তরফে আসে যুদ্ধের হুমকি! ফুৎকারে ওড়াল ভারত

Spread the love

গত কয়েক দিনে পাকিস্তানের পিপিপি-র নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো থেকে শুরু করে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ সিন্ধুর জল নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে ক্রমেই যুদ্ধের হুমকি দিয়ে গিয়েছেন। সদ্য পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর তরফে সেই যুদ্ধের হুঁশিয়ারির কথা শোনা গিয়েছে। পাক মন্ত্রীখোয়াজা আসিফের সেই হুঁশিয়ারিকে কার্যত ফুৎকারে উড়িয়ে দিল দিল্লি! পাল্টা ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে পাকিস্তানের প্রতিও দেওয়া হয়েছে বার্তা।

কিছুদিন আগে, সিন্ধুর জল ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বলেন,’ যে মুহূর্তে আমরা মনে করব যে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা, এবং জল আমাদের জাতীয় নিরাপত্তারই একটি আর, তা হুমকির মুখে পড়েছে, ঠিক তখনই আমরা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ব। নিঃসন্দেহে।’ সিন্ধুর ওপার থেকে আসা পাকিস্তানি মন্ত্রীর এই বার্তার পর, সিন্ধুর এপার থেকে দিল্লিও পাল্টা ইসলামাবাদকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি এই ইস্যুতে। এদিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এই ইস্যুতে পাকিস্তানকে টার্গেট করে বলেন,’পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর করা বানানো দাবিগুলো তাদের নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করার এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা থেকে দৃষ্টি সরানোর এক মরিয়া প্রচেষ্টা।’ উল্লেখ্য, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ক্রমেই বাড়ছে অশান্তি, উত্তেজনা। সেখানে ক্রমাগত পাকিস্তানি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হতে শুরু করেছেন মানুষ। পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ইস্যুতে এদিন রণধীর জয়সোয়াল বলেন, সেখানের বর্তমান পরিস্থিতি মূলত,’অবৈধ ও জোরপূর্বক দখলকৃত অঞ্চলগুলোতে পাকিস্তানের দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে চলা সুপরিকল্পিত অর্থনৈতিক শোষণ, মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া এবং প্রশাসনিক নিপীড়নের প্রত্যক্ষ পরিণতি।’ পিওকে-র পরিস্থিতি নিয়ে দিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করে বিদেশমন্ত্রক এদিন বলে,’বেশ কয়েকজন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আমরা আশা করি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পাকিস্তানের অপকর্ম ও অপব্যবহারের জন্য তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনবে।’

এদিকে, গত ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওতে জঙ্গি হানার পরই পাল্টা কূটনৈতিক পদক্ষেপে পাকিস্তানের সঙ্গে সিন্ধুর জলবণ্টন নিয়ে পদক্ষেপ করে দিল্লি। সদ্য একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিয়ো (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা) ক্লিপে ভারতের জলশক্তি মন্ত্রী সি আর পাতিলের মন্তব্য সামনে এসেছে, যেখানে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে পাকিস্তানে সিন্ধু নদের জলপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। এরপরই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজার মন্তব্যটি আসে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *