Indian student gets Oxford scholarship। ২ কোটি টাকার স্কলারশিপ পেলেন ভারতীয় ছাত্রী

Spread the love

Indian student gets Oxford scholarship: কথায় বলে, ‘সাফল্যের প্রথম ধাপ হল ব্যর্থতা।’ যদি জেদ আর লক্ষ্য স্থির থাকে, তবে কোনও বাধাই বড় হয়ে দাঁড়ায় না। তা আরও একবার প্রমাণ করে দেখালেন ভারতের এক তরুণী। নাম তাঁর বৈষ্ণবী রাামালিঙ্গম।1 তিনি। তবে এই সাফল্যের পথটা একেবারেই মসৃণ ছিল না। এই বিপুল সাফল্যের আগে আট মাস ধরে একের পর এক প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হতে হয়েছিল বৈষ্ণবীকে। তবে চেষ্টা ছাড়েননি তিনি। আর তাতেই কেল্লাফতে।

উচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছেন বৈষ্ণবী

এই সাফল্যের খবর পেয়ে নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি বৈষ্ণবী। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে তিনি তাঁর অনুভূতির কথা প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘ভেবে দেখুন, আমি যে সমস্ত জায়গায় চেষ্টা করেছি, সেখানে টানা আট মাস ধরে শুধু রিজেকশন পেয়েছি। আর যে জিনিসটার ওপর আমার সবচেয়ে কম আশা ছিল (কিন্তু মনে মনে সবচেয়ে বেশি চেয়েছিলাম) এবং যার জন্য প্রায় আবেদনই করতে চাইনি, সেটাই আমার জীবনে সত্যি হয়ে গেল! ইমেলটি পড়ার পর আমার কেমন অনুভূতি হয়েছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’

কী বার্তা দিলেন বৈষ্ণবী?

তিনি আরও যোগ করেন, ‘মহাবিশ্ব নিজেই আপনার জন্য পথ তৈরি করে দেয়।’ বৈষ্ণবীর এই পোস্টের নীচে সাধারণ মানুষ তো বটেই, খোদ অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির অফিশিয়াল হ্যান্ডেল থেকে কমেন্ট করে লেখা হয়েছে, ‘অভিনন্দন! অক্সফোর্ডে আপনাকে স্বাগত।’

পুণে থেকে নেদারল্যান্ডস- কোথায় পড়াশোনা করেন?

বৈষ্ণবী তাঁর পরিবারের প্রথম গ্র্যাজুয়েট। তিনি পুণের ‘সিমবায়োসিস ল স্কুল’ থেকে বিএ এলএলবি অনার্স সম্পন্ন করেন। এরপরে তিনি নেদারল্যান্ডসের ‘লেইডেন ইউনিভার্সিটি’ থেকে ‘লেইডেন ইউনিভার্সিটি এক্সিলেন্স স্কলারশিপ’ (LExS) নিয়ে আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার বিষয়ে অ্যাডভান্সড এলএলএম (LLM) করেন।

বৈষ্ণবী বলেন, ‘পরিবারে যখন কোনও গাইড বা নির্দিষ্ট রোডম্যাপ থাকে না, তখন নতুন জায়গায় একা পথ চলাটা ভীষণ একাকীত্বের মনে হয়। মনে হয় অন্যদের কাছে এমন অনেক তথ্য ও সুযোগ রয়েছে যা আমার কাছে একেবারেই নতুন। কিন্তু আমার এই জার্নিতে লেইডেন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁরাই প্রথম আমার ভেতরের প্রতিভাকে চিনতে পেরেছিলেন এবং অক্সফোর্ডে আবেদন করার জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *