IPAC Case Hearing in Cal HC। ‘মমতার বিরুদ্ধেই মামলা করা উচিত তৃণমূলের’

Spread the love

আইপ্যাক-কাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গেল কলকাতা হাইকোর্টে। রাজ্যের শাসক দলের তরফে দাবি করা হয় যে আইপ্যাকে অভিযান চালিয়ে তৃণমূলের সংবেদনশীল নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। যদিও বুধবার ইডির তরফে ভারতের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এসভি রাজু সওয়াল করেন যে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি থেকে কিছু বাজেয়াপ্ত করেনি ইডি। যাবতীয় নথি নিয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আইনজীবী দাবি করেন, নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়নি বলে ইডি যে দাবি করেছে, সেটা যেন রেকর্ড করা হয়। আর ইডি যদি সত্যিই কোনও নথি বাজেয়াপ্ত না করে, তাহলে তৃণমূলের মামলার নিষ্পত্তি করে দেওয়া যেতে পারে। শেষপর্যন্ত সেটাই হয়। ইডির দাবিতে মান্যতা দেয় হাইকোর্ট।

অপর মামলার শুনানি স্থগিত করে দেওয়া হল

যদিও অপর মামলার নিষ্পত্তি করা হয়নি। আইপ্যাক নিয়ে ইডির তরফে সেই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে দাবি করা হয় যে বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাই হাইকোর্টে যেন মামলার শুনানি স্থগিত রাখা হয়। সেই সওয়াল মেনে নিয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ।

হাইকোর্টে ইডি বনাম তৃণমূল

১) তৃণমূলের মামলা খারিজ করে দেওয়ার দাবি তোলে ইডি। কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে দাবি করা হয়, যিনি (শুভাশিস চক্রবর্তী) তৃণমূলের হয়ে হলফনামা দাখিল করেছেন, তিনি ঘটনাস্থলেই ছিলেন না। তাহলে তিনি যে যে দাবি করেছেন, সেগুলি কীভাবে করতে পারলেন? কোনও সূত্রের মাধ্যমে সেই তথ্য জেনেছেন, এমন কিছুও বলেননি। সেটা বললে মামলার গ্রহণযোগ্যতা থাকত। যদিও পালটা তৃণমূলের আইনজীবী দাবি করেন, যিনি হলফনামা দাখিল করেছেন, তিনি রাজ্যের শাসক দলের প্রতিনিধি।

২) ইডির তরফে দাবি করা হয়, যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে হয় তৃণমূলকে, তাহলে মমতার বিরুদ্ধে করা উচিত। কারণ নথি তিনিই নিয়ে গিয়েছেন। আইপ্যাকের অফিস ও প্রতীকের বাড়ি থেকে কোনও নথি বাজেয়াপ্ত করেনি ইডি।

৩) সর্বোপরি তৃণমূলের মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে ইডি। আর সেই যুক্তিতে মান্যতা দিয়েছে হাইকোর্ট।

৪) আজ অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’ বলেন সওয়ালের সময়। তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তৃণমূলের আইনজীবী। তিনি দাবি করেন, একজন মুখ্যমন্ত্রীকে নাম ধরে ঢাকছেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *