Iran on Indian tanker shot near Hormuz: হরমুজ প্রণালীর কাছে ভারতীয় জাহাজে গুলি চালানোর ঘটনা নিয়ে মুখে কার্যত কুলুপ আঁটল ইরান। সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার ভারতে ইরানের সুপ্রিম নেতার প্রতিনিধি আবদুল মাজিদ হাকিম ইলাহিকে সেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ভারত এবং ইরানের মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। আপনি যে ঘটনার কথা বলছেন, সে বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। আমি আশা করছি যে সবকিছু ঠিক হবে। বিষয়টি মিটে যাবে।’ সেইসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ‘আমরা এই যুদ্ধ চাই না। আমরা শান্তি চাই। আমরা আশা করব যে অপর পক্ষও শান্তির পথে হাঁটবে, যাতে আমাদের এলাকা শান্তিপূর্ণ থাকে।’
ভারতীয় ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে গুলি ইরানের
আর তিনি সেই মন্তব্য করেছেন ভারতীয় ট্যাঙ্কারের উপরে ইরানের হামলার পরে। সূত্র উদ্ধৃত করে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়. তেল ভর্তি ভারতের তেলের ট্যাঙ্কারে গুলি চালিয়েছে ইরানের নৌসেনা। ভারতের ওই ট্যাঙ্কারে প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল ইরাকি তেল ছিল। শনিবার ওমানের উত্তর দিকে সেই ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে ইরানের নৌসেনা গুলি ছোড়ে। ওই ট্যাঙ্কারের কাছাকাছি ভারতের আরও একটি ভেসেল ছিল। তবে সেটির উপরে কোনওরকম আক্রমণ চালানো হয়নি। দুটিই অবশ্য হরমুজ প্রণালী পার না করেই ফিরে যেতে বাধ্য হয়।ভারতগামী জাহাজ নিয়ে স্পষ্টবার্তা বিদেশ সচিবের
সেই ঘটনার পরে ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতহালিকে তলব করে বিদেশ মন্ত্রক। পরবর্তীতে ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে ভারতীয় জাহাজের উপরে গুলি চালানোর ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি।
সেইসঙ্গে তিনি এটাও বলেছেন যে তেহরানের কাছে যেন ভারতের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়। আমেরিকা-ইরানের যুদ্ধের মধ্যেও তেহরান ভারতগামী জাহাজকে হরমুজ পার করতে দিয়েছিল। এবারও দ্রুতগতিতে সেই কাজটা করার আর্জি জানিয়েছেন ভারতের বিদেশ সচিব।হরমুজ খোলা, হরমুজ বন্ধ করা

এমনিতে শুক্রবার ইরানের তরফে দাবি করা হয় যে বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হচ্ছে। তারপরই তড়িঘড়ি একাধিক জাহাজ হরমুজ পেরনোর চেষ্টা করে। কিন্তু শনিবার ফের হরমুজ বন্ধ করে দেয় তেহরান। ইরানের তরফে দাবি করা হয় যে আমেরিকা শর্ত লঙ্ঘন করায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।