Iran War Petrol Price Update। ‘ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৭৯০ টাকা হওয়া উচিত… পেট্রোল ৫৪৪…’

Spread the love

ইরান যুদ্ধ ও তেল সংকটের মধ্যেও ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের উপর থেকে আবগারি শুল্ক কমিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অপরদিকে প্রতিবেশী পাকিস্তানের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উলটো। এর আগে পাকিস্তানে তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। সেই দেশে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছন শেহবাজ শরিফ। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ একটি ভিডিয়ো বার্তা জারি করে তাঁর দেশের জনগণকে যানবাহন ব্যবহার কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন। শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘তেলের দাম বৃদ্ধির হাত থেকে জনগণকে বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতাও প্রয়োজন।’

শেহবাজ শরিফ দাবি করেছেন, যুদ্ধ থামাতে তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন। শেহবাজ শরিফ বলেন, এই সপ্তাহে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম অত্যধিক বেড়েছে। তবে তাঁর সরকার নাকি এর বোঝা বহন করবে আপাতত। এই আবহে সরকারের উপর ৫৬ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপির বোঝা চাপবে। শেহবাজ শরিফ এই সংকটকে ঝড় বলে বর্ণনা করেছেন।

শেহবাজ শরিফ বলেন, ‘বর্তমানে পাকিস্তানে পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ৫৪৪ টাকা হওয়া উচিত ছিল। তবে আপনি এটি মাত্র ৩২২ টাকায় পাচ্ছেন। একইভাবে, ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৭৯০ টাকা হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সরকার আপনাকে প্রতি লিটার ডিজেল মাত্র ৩৩৫ টাকায় দিচ্ছে। যাতে আপনাদের ওপর বোঝা না পড়ে এবং আপনার কষ্ট না বাড়ে। আজ এমন এক সময়ে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন আনতে পারি। ভ্রমণের আগে ভেবে দেখুন এই যাত্রা জরুরি কিনা। প্রতিবার কি গাড়ি বা মোটরসাইকেলে চাপার প্রয়োজন আছে কি না। বিশ্বজুড়ে তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে এবং পেট্রোল পাম্পগুলিতে দীর্ঘ লাইন রয়েছে। এই কঠিন সময় মোকাবিলায় আমরা যা পরিকল্পনা করছি তার জন্য জনগণের সহযোগিতা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার বিষয়ে শীঘ্রই ঘোষণা করা হবে।’

এদিকে ইরান-মার্কিন শান্তি প্রক্রিয়ায় নাকি মধ্যস্থতা করছে পাকিস্তান। অবশ্য ইরানের সঙ্গে আমেরিকার মুখোমুখি বৈঠক হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, শীঘ্রই পাকিস্তানে যেতে পারেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে পাকিস্তান যে ‘দূত’ হওয়ার চেষ্টা করছে, তা নিয়ে ইসলামাবাদকে কটাক্ষ করেছে ভারত। সর্বদলীয় বৈঠকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর বলেছেন যে ‘পাকিস্তানের মতো দালাল দেশ’ হিসেবে কাজ করবে না ভারত। এরই মাঝে হরমুজ প্রণালী থেকে করাচিগামী জাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে ইরান। আবার একটি পাকিস্তানি জাহাজে নাকি ইরান হামলাও চালিয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে ইরানের বিদেশমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, যে ৫টি দেশের ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিতে দেওয়া হচ্ছে, সেগুলি হল – ভারত, পাকিস্তান, চিন, রাশিয়া এবং ইরাক। তবে তা সত্ত্বেও হরমুজে আটকে আছে পাক জাহাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *