Irani Attack on US Oil Tanker। ইরাকি জলসীমায় মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা ইরানের! তেলের দাম ২০০ ডলার হবে

Spread the love

ইরাকি জলসীমায় মার্কিন ট্যাঙ্কারে হামলা চালাল ইরান। জানা গিয়েছে আক্রান্ত ট্যাঙ্কারের নাম সি-সেফ বিষ্ণু। মনে করা হচ্ছে, ড্রোনের মাধ্যমে সেই ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা চালিয়েছিল ইরান। এদিকে ইরাকি জলসীমায় ‘জেফিরোস’ নামে আরও একটি ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছিল ইরান। সব মিলিয়ে গতরাতে হরমুজ প্রণালী এলাকায় পাঁচটি জাহাজে হামলা চালায় ইরান। এদিকে ইজরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সৌদিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইরানি ড্রোন এবং মিসাইল প্রতিহত করতে ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই দেশগুলি।

এদিকে ইরাকের আল বরশ বন্দরে ইরানি হামলায় একজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এই আবহে ইরাকে তেল টার্মিনালে কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। অপরদিকে বাহরাইনের আল মাহারাকে অবস্থিত তেলের ডিপোতে হামলা চালায় ইরান। এরই মাঝে আবার ওমানের সালালা বন্দরেও ইরান হামলা চালায়। আইআরজিসি হুমকি দিয়েছে, বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ২০০ ডলার প্রতি ডলার হবে। এই সব হামলার জেরে আজ ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়েছএ আবারও।

এর আগে হরমুজ প্রণালীতে থাইল্যান্ডের একটি কার্গো জাহাজে হামলা চালিয়েছিল ইরান। জাহাজটি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতের গুজরাটের দিকে আসছিল। সেই সময় জাহাজটির ওপর হামলা হয়। পরে জাহাজের ক্রুদের উদ্ধার করা হয়েছিল। এই আবহে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক একটি বিবৃতি জারি করে এই হামলার তীব্র ভাষায় নিন্দা জানায়। থাই জাহাজটি হামলার শিকার হলে উদ্ধারকাজে নামে ওমানের নৌবাহিনী। সেই জাহাজের ২০ জনকে উদ্ধার করে ওমান। তবে তিনজন ‘নিখোঁজ’ বলে জানা যায়।

র আগে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কোর বলেছিল, আমেরিকা কিংবা তাদের মিত্রদের কোনও জাহাজ হরমজ প্রণালী দিয়ে পার হতে দেবে না তারা। এরপর ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, হরমুজ দিয়ে এক ফোঁটা তেল তারা প্রবাহিত হতে দেবে না। তারপর আবার তারা দাবি করে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও জাহাজকে পার হতে গেলে তাদের অনুমতি নিতে হবে। এরই মাঝে আবার ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা বাণিজ্যিক জাহাজগুলির উচিত মনে জোর এনে সেই এলাকা পার করা। তবে যা পরিস্থিতি, তাতে সেটা করা বেশ কঠিন।

এর আগে মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট দাবি করেছিলেন, মার্কিন এক রণতরী নাকি হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা একটি জাহাজকে সেখান থেকে নিরাপত্তা দিয়ে বের করে আনে। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে তিনি পোস্টও করেন। পরে অবশ্য তিনি সেই পোস্টটি মুছে দেন। মার্কিন সেনা জানিয়ে দেয়, কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে বের করে আনেনি তারা। পরে হোয়াইট হাউজের তরফ থেকেও জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত কোনও জাহাজকে হরমুজ প্রণালী থেকে বের করে আনেনি মার্কিন রণতরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *