Jharkhand TET Notification-Syllabus। টেট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি জারি ঝাড়খণ্ডে! বয়সসীমায় ৯ বছর ছাড়

Spread the love

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর নিয়ে এল। ঝাড়খণ্ড টেটের (জেটেট) জন্য অনলাইন আবেদনের তারিখ এবং নতুন নিয়মাবলী আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। ঝাড়খণ্ড অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের তরফে জানানো হয়েছে, টেটের জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল থেকে। ইচ্ছুক প্রার্থীরা আগামী ২১ মে পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন। যাঁরা আগে আবেদন করেছিলেন, তাঁরাও পুনরায় আবেদন করতে হবে। সেইসব প্রার্থীদের নতুন করে কোনও পরীক্ষা ফি দিতে হবে না।

বয়সসীমায় বড় ছাড়

রাজ্য সরকার পরীক্ষার্থীদের জন্য বয়সের উর্ধ্বসীমায় বড়সড় ছাড় ঘোষণা করেছে। এবারের পরীক্ষায় আবেদনের জন্য প্রার্থীরা সর্বোচ্চ নয় বছরের ছাড় পাবেন। তবে ন্যূনতম বয়স হতে হবে ২১ (২০২৬ সালের ১ অগস্ট অনুযায়ী)।

পরীক্ষার কাঠামো এবং সিলেবাস

১) ওএমআর শিটের মাধ্যমে অফলাইনে নেওয়া হবে।

২) পরীক্ষার সিলেবাস সম্পর্কে জেএসির তরফে জানানো হয়েছে, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি (প্রাথমিক) পর্যন্ত স্তরের জন্য মাধ্যমিক বা দশম শ্রেণির সমতুল্য প্রশ্ন থাকবে।

৩) ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি (আপার প্রাইমারি): এই স্তরের জন্য ইন্টার-মিডিয়েট বা দ্বাদশ শ্রেণির সমতুল্য প্রশ্ন থাকবে।

৪) ইতিমধ্যেই ঝাড়খণ্ড অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিস্তারিত পাঠ্যক্রম বা সিলেবাস প্রকাশ করেছে, যা পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে।

উত্তীর্ণ হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতা

১) সাধারণ এবং অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর শ্রেণি: ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

২) ওবিসি-১ এবং ওবিসি-২: ন্যূনতম ৫৫ শতাংশ নম্বর প্রয়োজন।

৩) তফসিলি জাতি (SC), তফসিলি উপজাতি (ST) এবং বিশেষভাবে সক্ষম (PwD) প্রার্থী: এই শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য ন্যূনতম ৫২ শতাংশ নম্বর বাধ্যতামূলক।

আঞ্চলিক ও আদিবাসী ভাষার তালিকা

ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলার ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষাটি বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আদিবাসী ভাষায় পরিচালিত হবে। রাঁচি, লোহারদাগা, গুমলা, দুমকা এবং বোকারোর মতো জেলাগুলোতে কুড়ুখ, মুন্ডারি, খাড়িয়া, নাগপুরি, বাংলা এবং খোরঠা ভাষার মতো একাধিক বিকল্প রাখা হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন জেলা যেমন জামতাড়া, সাহেবগঞ্জ, ধানবাদ এবং বোকারোতে বাংলা ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা হিসেবে রাখা হয়েছে, যা ওই অঞ্চলের বাংলাভাষী পরীক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক। তাছাড়া অতীতে পশ্চিমবঙ্গের প্রার্থীরাও পরীক্ষা দিয়েছিলেন।

বিজ্ঞান ও গণিত শিক্ষক নিয়োগের নতুন নিয়ম

সম্প্রতি ঝাড়খণ্ড সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, বিএসসি (B.Sc) স্নাতক ডিগ্রিধারীরাই কেবলমাত্র বিজ্ঞান এবং গণিত বিষয়ের শিক্ষক হওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। এই নিয়মটি এবারের জেটেট নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *